SebaBanner

আজ*

হোম
জাতীয় ঐক্য গঠনে ব্যর্থ মির্জা ফখরুল

জাতীয় ঐক্য গঠনে ব্যর্থ মির্জা ফখরুল

নতুন কমিটিতে পদ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, ত্যাগী নেতাদের বঞ্চনা, সিনিয়রদের অবনমন নিয়ে বিএনপিতে চরম অস্থিরতার মধ্যে এখন নতুন উপসর্গ ২০ দলীয় জোট ভাঙার হুমকি দিয়ে।জাতীয় ঐক্য গঠন করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল সব কিছু এলোমেলো করে ফেলছেন বলে মনে করেন বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতারা। ঐক্য গঠনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন মির্জা ফখরুল এমনটিই মনে করেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

বিএনপির বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা যায়, রোববার এক গোপন বৈঠকে বিএনপি জোটের শরিক কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) এবং ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের লেবার পার্টির কয়েক নেতা জোট ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। তারা বলেছেন ২০ দলের বর্তমান কোনো শরিককে বাদ দিয়ে কাদের সিদ্দিকী, আ.স.ম রব এবং ড. কামাল হোসেনদের আনা ঠিক হবে না।
সূত্রমতে, বিএনপি’র ডাকা জাতীয় ঐক্যের প্রক্রিয়া থমকে গেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের দূত হিসেবে যে দুই বুদ্ধিজীবী এবং দলের দুই নেতা অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। ঐ বুদ্ধিজীবীরা আর আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন। আর দলের হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আবদুল্লাহ আল নোমান যোগাযোগ করছিলেন ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু তাদের অদক্ষতার জন্য এ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন বিএনপির নীতি নির্ধারকরা ।
জানা গেছে, বিএনপির পক্ষে জাতীয় ঐক্য প্রচেষ্টার অনুঘটক এমাজউদ্দীন আহমদ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও আবদুল্লাহ আল নোমান নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। এমাজউদ্দীন আহমদ তার জামায়াত বিষয়ক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের পর অপমান বোধ করছেন বলেও জানিয়েছেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও প্রক্রিয়াটিকে সামনে নিতে অগ্রহী নন। এদিকে আ.স.ম আবদুর রবকে ডাকা হলেও তিনি সক্রিয় সাড়া দেননি।
একটি সূত্র জানায়, কাদের সিদ্দিকীদের জোটে আনলে লেবার পার্টি বা এলডিপি শুধু নয়, আরো দল জোট ছাড়বে। ইতোমধ্যে ৮টি শরিক দলের নেতারা একসঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপির কয়েকজন নেতা জোটের শরিকদলগুলোকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে আসছে। একজন নেতা অভিযোগ করেন যে, চেয়ারপারসনের একজন সহকারী জোটের শরিক দলের একজন নেতার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। এতে করে জোটের শরীকরা চরম ক্ষুব্ধ।
এদিকে বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বলছেন, বিএনপির কমিটি নিয়ে তারেক রহমান-মির্জা ফখরুলের একরোখা সিদ্ধান্তে ক্রমশ সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। এতে জাতীয় ঐক্য গঠনে প্রভাব পড়ছে।ঐক্য গঠনের জন্য কমিটি ঘোষণার পর আরো নিস্তেজ হয়ে পড়েছে জোট।

, ,