কৃষি প্রযুক্তির বিকাশে চাই প্রয়োজনীয় ব্যাংক ঋণ

Unknown
সেবা ডেস্ক:  কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে পুরনো প্রচলিত কৃষি সরঞ্জামের বদলে যান্ত্রিকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ কয়েকগুণ উত্পাদন বাড়িয়ে দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির যে গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে তার পেছনে রয়েছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের আশীর্বাদ। একসময়ে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, কিংবা ধান মাড়াইয়ের যন্ত্রের ব্যবহারের কথা ভাবতে পারতো না এ দেশের কৃষক। হয়তো পরীক্ষামূলকভাবে নির্দিষ্ট কিছু খামার কিংবা পাইলট কৃষি প্রকল্পে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার লক্ষ্য করা যেত। কিন্তু আজকাল নিভৃত গ্রামেও কৃষি জমিতে ট্রাক্টর পাওয়ার টিলার এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল উপলব্ধি করে এখন বেশিরভাগ কৃষক যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে ঝুঁকছেন। কিন্তু যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার মত সামর্থ্যবান কৃষকের সংখ্যা খুব বেশি নেই। ধারকর্জ করে অনেকে চাষাবাদের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার কিনছেন, কৃষি জমির পাশে গভীর নলকূপ স্থাপন করছেন। সেচ স্কিম চালু করছেন অনেকে যৌথভাবে। কৃষি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য যে পরিমাণ পুঁজির প্রয়োজন তার অভাবে অনেক জায়গায় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রক্রিয়া থেমে আছে। ফলে মান্ধাতার আমলের পদ্ধতিতে চাষাবাদ হচ্ছে সেখানে। বলদ মহিষ দিয়ে হালচাষ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আশা এ যুগে বৃথা চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে বিভিন্ন  কোম্পানি থেকে নগদ টাকায় ট্রাক্টর কিংবা অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় করছেন। এজন্য তাদের ধারকর্জ করতে হচ্ছে। চড়া সুদে কারো কাছ থেকে ধার নিয়ে ট্রাক্টর কেনার পর তা শোধ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। কেউ কেউ কোম্পানি অথবা ডিলারের কাছ থেকে কিস্তিতে ট্রাক্টর কিনতে গিয়ে বাধ্য হয়ে নগদ মূল্যের চেয়ে বেশ কয়েক লাখ টাকা বেশি প্রদান করছেন। কিন্তু ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ নিয়ে যদি ঐ ট্রাক্টর কিংবা অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে পারতেন তাহলে তার অর্থের সাশ্রয় হতো। এভাবে সারা দেশে হাজার হাজার কৃষককে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে গিয়ে। কারণ কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য তারা ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ নিতে পারছেন না বিভিন্ন নীতিমালার কারণে। প্রতিবছর সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বাবদ দিচ্ছে। কোনো  কোনো ব্যাংক নানা প্রতিকূলতার কারণে কৃষি ও পল্লী ঋণ দিতে পারছে না। ঋণ বিতরণ করতে না পারায় গতবছর চারটি ব্যাংকের কাছ থেকে ১৪০ কোটি টাকা কেটে রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সরকার কৃষিখাতে ঋণ বিতরণে অনেক উদারনীতি গ্রহণ করেছে। যা অনেকের প্রশংসা অর্জন করেছে। কৃষিখাতে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের কারণে অনেক দরিদ্র কৃষক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণে সাহসী এবং আগ্রহী হয়েছেন। অধিকহারে সুদ ধার্য করা হলে তাদের পক্ষে ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ সম্ভব হতো না। সরকার স্বল্পসুদে কৃষিখাতে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও বিতরণ নীতিতে স্পষ্টতার অভাবে অনেক কৃষক তাদের প্রয়োজনীয় কৃষিঋণ নিতে গিয়ে ফিরে আসছেন ব্যাংক থেকে। কৃষিখাতে সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত ঋণ সুবিধা লাভে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক কৃষক। কৃষিখাতে ঋণ বিতরণে বিদ্যমান নীতিমালায় কিছুটা পরিবর্তন এনে কৃষকবান্ধব এবং সময়োপযোগী করতে পারলে কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সহজেই দূর করা সম্ভব। সাধারণত কৃষক কৃষি যন্ত্রপাতি, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার ইত্যাদি ক্রয়ের জন্য ব্যাংক ঋণ নিতে গেলে এর বিপরীতে জমিজমা সম্পত্তি বন্ধক দাবি করেন প্রচলিত ব্যাংক বিধি মোতাবেক। কিন্তু আমাদের দেশে বেশিরভাগ কৃষক এখনও তেমন সচ্ছল এবং সামর্থ্যবান নন যে তারা ব্যাংক চাহিদা মোতাবেক  নিজের জমি, ভিটে সম্পত্তি ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যাংকে বন্ধক দিতে পারেন। তাদের অধিকাংশের কাছে তেমন সম্পত্তি কিংবা জমিজমা থাকে না। ফলে তারা প্রয়োজনীয় ঋণ পান না ব্যাংক থেকে। কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব উপলব্ধি করলেও সামর্থ্যের অভাবে তারা ব্যাংক ঋণ নিতে চাইলেও তা পান না। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তাদেরকে বঞ্চিত হতে হয় সরকার প্রদত্ত কৃষিঋণ সুবিধা প্রাপ্তি থেকে।
সাধারণত দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাইভেট কার ক্রয়ের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ১৪ লাখ থেকে ১৬ লাখ টাকা, কখনো কোটি টাকা কনজ্যুমার বা ভোগ্যপণ্য ঋণ পাওয়া যায়। এর জন্য জমিজমা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি বন্ধক দিতে হয় না। ক্রয়কৃত গাড়িটিই ব্যাংকের কাছে মর্টগেজ বা বন্ধক হিসেবে থাকে। তেমনিভাবে কৃষি যন্ত্রপাতি মর্টগেজ বা বন্ধক রেখেও কৃষককে এভাবে ঋণ দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু এখানে সেই ব্যবস্থা নেই বর্তমানে। অথচ কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানিকারকরা ঠিকই ব্যাংক থেকে ঋণ পাচ্ছেন। এ ব্যাংকে এলসি খুলে বিদেশ থেকে কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানি করছেন। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেনা প্রাইভেট কার বা বাস-ট্রাকের রেজিস্ট্রেশন হয় ব্যাংকের নামে। ঋণ গ্রহীতা ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া তা বিক্রি কিংবা হস্তান্তর করতে পারে না। কিন্তু কৃষিযন্ত্রের (ট্রাক্টর, পাওয়ার ঢিলার প্রভৃতি) রেজিস্ট্রেশন হয় না। ফলে মালিক বিক্রি বা হস্তান্তর করলে দায় চাপে ব্যাংকের ওপর। তাই ব্যাংক ঝুঁকি নিতে চায় না। এক্ষেত্রে বার বার পিছিয়ে আসে। ফলে কৃষক কৃষিঋণ গ্রহণ করে কৃষি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারছে না। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, এ ক্ষেত্রে নীতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে বা শর্তসমূহ কিছুটা শিথিল করে এ সমস্যার অনেকটা সমাধান সম্ভব।  এখন দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক মাঠপর্যায়ে মনিটরিং আগের তুলনায় অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংক মাঠপর্যায়ে মনিটরিং আগের তুলনায় অনেক বাড়িয়েছে। তাই বিরাজমান শর্ত শিথিল করে  হলেও কৃষকদের আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ঋণ দেওয়া উচিত। কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধির নানা কৌশল উদ্ভাবন নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ছাড়া কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধির অন্য কোনো বিকল্প নেই। একবিঘা জমিতে হালের চাষে যে সময় লাগে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার করলে তার চল্লিশভাগের এক ভাগেরও কম সময় লাগে। উত্পাদন ব্যয়ও অনেক কমে আসে। আগামী দিনগুলোতে আমাদের কৃষি আরো যন্ত্রনির্ভর হবে। এটা কারো বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া ব্যাপার নয়, এটা যুগের বা সময়ের দাবি-একথা মানতেই হবে সবাইকে।
কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, দেশের উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলা এবং যশোর, খুলনা, বরিশাল, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী প্রভৃতি জেলায় বছরে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার ট্রাক্টর এবং ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার পাওয়ার টিলার বিক্রি হয়। এজন্য তারা বছরে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। এ ব্যবসায় কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে বটে। তবে আড়াইশ’ কোটি থেকে তিনশ’ কোটি টাকা মুনাফা হচ্ছে এ ব্যবসায়। কৃষক যদি ব্যাংক ঋণ নিয়ে কৃষিযন্ত্র কেনার সুযোগ পেতো তাহলে কৃষিযন্ত্রের বিক্রির পরিমাণ আরো বাড়তো। এতে তারা অনেক উপকৃত হতো, দেশও উপকৃত হতো। টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমও আরো বেগবান হতো। কৃষিপণ্য উত্পাদন ব্যয় অনেকটাই কমে আসতো। ফলশ্রুতিতে কৃষিপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকতো।
সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের মোট ঋণের দুই শতাংশ কৃষি ও পল্লী ঋণ হিসেবে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। এর মাত্র শূন্য দশমিক ৮৩ শতাংশ বিতরণ করা হয় কৃষিযন্ত্র  (সেচ, চাষ, কাটা ও মাড়াই) বাবদ। গত একবছরে এ ঋণ প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। এ বছর ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংক সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বাবদ ঋণ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংককে। আগে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের তেমন বাধ্যবাধকতা ছিল না। সাম্প্রতিক গত কয়েক বছর ধরে সরকার এ বিষয়ে আলাদা মনোযোগ প্রদান করায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নির্ধারিত বরাদ্দের কৃষিঋণের পুরো টাকাই কৃষকদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা নিয়েছে।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারি-বেসরকারি ৫৫টি ব্যাংকের জন্য কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অর্থাত্ এক হাজার ২৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। তবে ১০টি ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। এসবের মধ্যে ছয়টি সরকারি, তিনটি বেসরকারি ও একটি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে। তারা ৭৪২ কোটি ১৫ লাখ টাকা কম বিতরণ করেছে। ছয়টি সরকারি ব্যাংক ৬০২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং অন্য চারটি ব্যাংক ১৩৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা কম বিতরণ করেছে। বেসরকারি চারটি ব্যাংক যে পরিমাণ টাকা কম বিতরণ করেছে, সে পরিমাণ টাকা কেটে রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করলে এ অর্থ ফেরত পাবে ঐ ব্যাংকগুলো। মোট কৃষি ঋণের ৩০  শতাংশ যেন কৃষি যন্ত্রপাতি উপখাতে বিতরণ করা হয়, তেমন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কৃষকদের সমস্যা হলো তাদের ঋণের বিপরীতে বন্ধক দেওয়ার মত সামর্থ্য নেই। ফলে এই নির্দেশনা কার্যকর হওয়া নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।
আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত হতে গেলে বছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ হওয়া দরকার। কৃষিখাতে চার থেকে সাড়ে চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছাড়া এটি সম্ভব নয়। আর এজন্য প্রয়োজন কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ। উন্নত কৃষি উপকরণ ব্যবহার এবং যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের কোনো বিকল্প নেই এখন। শস্য খাতে এখন উত্পাদন বেশ ভালো। সেটিকে ধরে রেখেই আরো উন্নত কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। যন্ত্রপাতি, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, মাড়াই যন্ত্র ক্রয়, সেচ কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি বাবদ ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিতে হবে। সেই অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে তাদের কৃষিঋণ নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে হবে। চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) জন্য কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ  ব্যাংক বিশেষ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। যাতে বলা হয়েছে কৃষি যন্ত্রপাতির জন্য প্রদেয় ঋণ কৃষিকাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সব ব্যক্তিকে একক বা দলগতভাবে দেওয়া যাবে। এ ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ সীমা হবে ১০ শতাংশ। এ কথা অবশ্যই সবাইকে স্বীকার করতে হবে যে, কৃষি ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের সক্রিয় ভূমিকায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে যে কোনোভাবে। আর এজন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কৃষি ঋণ প্রদানে বহুমুখিতা আনতে হবে। নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংস্কার করতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহার ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ঋণ দিলে উত্পাদন খরচ কমবে। এতে তাদের মুনাফা, আয় বাড়বে। ফলে সামর্থ্যবান হয়ে তারা দ্রুত ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ ফেরত দিতে উদ্বুদ্ধ হবেন।
ট্যাগস

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top