ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বিরাজমান: জাতিসংঘ

সেবা ডেস্ক: 
জেনেভায় প্রকাশিত জাতিসংঘের ‘ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ’ প্রতিবেদনে তীব্র ভাষায় ভারত সরকারের সমালোচনা করা হয়েছে। ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার অভিযোগের পাশাপাশি, নারী নির্যাতন, লিঙ্গবৈষম্য, বিশেষ ভাবে কাশ্মিরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রতি চার বছর অন্তর এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদন যে চার বছর নিয়ে তৈরি হয়েছে, তার বেশির ভাগটাই মোদি সরকারের আমলে।
যদিও জাতিসংঘের তোপের মুখে দাঁড়িয়ে ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধি অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি বলেন, “ভারত একটি ‘ধর্মনিরপেক্ষ দেশ’। ভারতের কোনও রাষ্ট্রীয় ধর্ম নেই। ধর্মনিরপেক্ষ দেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার সুনিশ্চিত করাটা দেশের মৌলিক নীতির মধ্যেই পড়ে। ভারতের ঐতিহ্য সহিষ্ণুতার, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলার।”
এই প্রতিবেদন নিয়ে মতামত দিতে দেরি করেনি পাকিস্তান। জেনেভার ওই সম্মেলনেই ইসলামাবাদের প্রতিনিধি নয়াদিল্লিকে আক্রমণ করে বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল অবিলম্বে কাশ্মির সফর করে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখুক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সুপারিশ মেনে ভারত দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের আরও বেশি আইনি সহায়তা দিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। ভারতে বেড়ে চলেছে বিনা বিচারে জেলবন্দি রাখার ঘটনা। দলিত, আদিবাসী এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এটা বেশি হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত চার বছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসা এবং বৈষম্য কমাতে কোনও পদক্ষেপই করেনি ভারত। লিঙ্গ বৈষম্যের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ কমানো এবং এই ধরনের ঘটনার তদন্তের প্রশ্নে কোনও অগ্রগতি হয়নি।

,
themeforestthemeforest

ছবি কথা বলে