২২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

২২হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি প্রধানমন্ত্রী
সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৯ সাল থেকে আমরা সরকারে আছি। আজ আমরা প্রায় ৯৩ শতাংশ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। উৎপাদনও আমরা ২২ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম হয়েছি। সঞ্চালনও বাড়িয়েছি।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে সরকারে আসতে না পারলেও তার আগে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র রেখে যাই। আমরা যেসব প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলাম, বিএনপি সেগুলো শেষ করলেও জনগণ স্বস্তি পেত। যেসব প্রকল্প শেষের দিকে ছিল, সেগুলো সম্পন্ন করেই তারা তৃপ্তি পেয়েছে।

বিএনপি সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়েছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে যে চার হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছিল, সেটি বিএনপি তখন তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নামিয়ে এনেছিল।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে দেশপ্রেম নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্যাস বিক্রির জন্য আমার ওপর বিদেশি চাপ ছিল ২০০১ সালে। আমরা বলেছিলাম- ৫০ বছরের রিজার্ভ রেখে তার পর আমরা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু বিএনপি রাজি হয়ে গিয়েছিল। নেবে যুক্তরাষ্ট্র, কিনবে ভারত। যেজন্য ক্ষমতায় আসতে পারিনি।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যে টাকা খরচ হয় আমরা দাম কিন্তু তত নেই না। এখানে কিন্তু ভুর্তকি দিতে হয়। সেজন্য অনুরোধ থাকবে যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন বিদ্যুৎসাশ্রয়ী হবেন। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ যেন না হয়। সাশ্রয়ী হলে বিলও কম উঠবে। যতটা খরচ হচ্ছে তার অর্ধেক দামে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যাচ্ছি। এভাবে ভুর্তকি দেওয়াটা কিন্তু ঠিক নয়, তারপরও মানুষের কল্যাণে, মানুষের সুবিধা চিন্তা করে আমরা করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে পুলিশের অভিযানকে আরও কার্যকর করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিল ব্যাংকের রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও গুলশান করপোরেট শাখা। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন এলাকা থেকে গণভবনে সংযুক্ত থাকা কর্মকর্তা ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় গণভবন প্রান্তে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please