সিত্রাংয়ের প্রভাব: কাজিপুরে ত্রিশ হেক্টর জমির আমন ফসল পানিতে

 : ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে আকস্মিক বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ত্রিশ হেক্টর জমির রোপা আমণ ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। দমকা বাতাসে আধাপাকা আমণ ধান পড়ে গেছে।

সিত্রাংয়ের প্রভাব কাজিপুরে ত্রিশ হেক্টর জমির আমন ফসল পানিতে



 মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ধানক্ষেতে ঘুরে দেখা গেছে পড়া ধানগাছ বৃষ্টির জমানো পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এসব ধান এভাবে পানিতে পড়া অবস্থায় থাকলে একেবারে পঁচে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকগণ।


এতে করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে ধারণা করছে উপজেলা কৃষি অফিস। 

 কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি আমণ মৌসুমে এবার উপজেলার ১২ ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ১১ হাজার একশ হেক্টর জমিতে রোপা আমণ ধানের চাষ হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধেক জমির ধান আধাপাকা অবস্থায় রয়েছে।হঠাৎ করে দমকা বাতাসসহ বৃষ্টিতে ধানগাছগুলো মাটিতে পড়ে গেছে। 

 সোনামুখী গ্রামের কৃষক আব্দুল হান্নান জানান, “আমার জমিটি নিচু।  প্রায় পাঁচবিঘা জমির আধাপাকা ধান বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে মাটিতে পড়ে গেছে। বৃষ্টিতে ওই জমিতে পানি জমেছে। ফলে ধানগুলো পানিতে পড়ে দুইদিন পরেই পঁচে যাবে। এতে করে আমার অনেক ক্ষতি হবে।” 

 মাইজবাড়ী চরের বর্গাচাষী ছকিম মিয়া জানান, “অনেক আশা হইরা জমি বর্গা নিয়া রোয়া(রোপা) ধান লাইছিলাম। এহন বিষটিত আর বাতাসে মাটিত সব ধানগাছ পইড়া গ্যাছে। আমার এহন চালানই উঠবো না। ” 

 কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ‘ এবার আমণের বাম্পার ফলন হয়েছে। আকস্মিক বৃষ্টি এবং বাতাসে ত্রিশ হেক্টরের মতো জমির ধান নষ্ট হাবার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ফসলাদির তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। তবে পানি দ্রুত নেমে গেলে এই ক্ষতির পরিমাণ কমে যাবে। 



শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।