কারাবন্দিদের জন্য চালু-হলো মোবাইল সেবা ‘স্বজন’: বন্দিরা সমাজেরই অংশ
কারাবন্দিদের জন্য চালু-হলো মোবাইল সেবা ‘স্বজন’: বন্দিরা সমাজেরই অংশ


কারাবন্দিদের জন্যে চালু-হলো মোবাইল সেবা ‘স্বজন’: বন্দিরা সমাজেরই অংশ

Mobile service for the prisoners - 'Residential'

সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কারাবন্দিদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার পাইলট প্রকল্প হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে চালু হয়েছে মোবাইল ফোন সেবা ‘স্বজন’। প্রধানমন্ত্রীর এটুআই কর্মসূচির মাধ্যমে এ কার্যক্রম সফল হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কারাগারে এ ব্যবস্থা চালু হবে। প্রাথমিকভাবে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘স্বজন’।

গতকাল বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল কারাগার প্রাঙ্গণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের সময় তিনি কারাগারে মোবাইল ফোনে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, কারা মহাপরিদর্শক ব্রি. জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ আর-নয় প্রশ্নপত্র ফাঁস।। প্রশ্ন-সেট হবে পরীক্ষার ২৫-মিনিট আগে

উল্লেখ্য, এবারই প্রথম বারের মতো বন্দিদেরকে পরিবারের আরো কাছাকাছি থাকতে চালু করা হলো এই মোবাইল ফোন সেবা। এই প্রকল্পটির মূলনাম ‘প্রিজন লিঙ্ক- স্মার্ট কমিউনিকেশন সিস্টেম ফর ইনমেটস অ্যান্ড রিলেটিভস’। এর নিয়ম অনুযায়ী একজন করাবন্দি মাসে দুই বার এবং প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট করে কথা বলতে পারবেন। এছাড়া প্রতি বন্দি শুধু দু’জন নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের অভ্যন্তরে চারটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে এই সেবার জন্যে। একই সঙ্গে চারজন বন্দি তার স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন এর আওতায়। তবে সাধারণ বন্দিরা এই সুবিধার আওতায় থাকলেও জঙ্গি আর শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এই সেবা পাবেন না।


অতীতে বাংলাদেশে কারাগার মানেই ছিল সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের সাজা কার্যকরের স্থান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কারাবন্দীদের অধিকার সংরক্ষণের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। দেশের কারাগার সমূহ আজ আর কাগজপত্রে নয়, বাস্তবিক অর্থেই হয়ে উঠছে পুনর্বাসন কেন্দ্র। সম্প্রতি দেশের ৬৮টি কারাগারে পালিত হয়েছে “কারাসপ্তাহ-২০১৮”, যার মূল লক্ষ্যেই ছিল কারাবন্দীদের জীবনমান উন্নত করে করে তাদের সমাজের অংশ করে তোলা।

সংশোধন এবং প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে করাবন্দিদের পুনর্বাসন করাই সরকারের এসব প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

 -

,