SebaBanner

হোম
ব্যাংক সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর

ব্যাংক সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর
সেবা ডেস্ক: - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন। গণভবনে শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)র কাছ থেকে অনুদান গ্রহণকালে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে সুদের হার কমানোর কথা বলতে চাই, না হলে দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়... এটিকে অবশ্যই সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনলে আপনারা লাভবান হবেন, এতে জনগণ ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কাজ করতে অধিক আগ্রহী হবে।’ প্রধানমন্ত্রী সুদের হার কমিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষগুলোকে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আপনাদের উত্তাপিত সকল সমস্যার সমাধান করেছি, এখন আপনাদেরকে অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে।’

বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিএবি’র অধীন ব্যাংকগুলো প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে আজ ১৬৩ কোটি টাকা দান করেছে।

পহেলা বৈশাখ শুধু বিনোদনের উৎস নয়, বৈষয়িক বিষয়েরও আধার : প্রধানমন্ত্রী
 এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৫’ উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসী বাঙালিসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে এদিন আমাদের সবার জীবনে যাতে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘নতুন বছরের প্রথম দিনে আমরা অতীতের ব্যত্যয় এবং গ্লানি ভুলে জীবনের এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে আশায় বুক বাঁধি। দেনাপাওনা চুকিয়ে নতুন করে শুরু হয় জীবনের জয়গান। পহেলা বৈশাখ তাই যুগ যুগ ধরে বাঙালির মননে মানসে শুধু বিনোদনের উৎস নয়, বৈষয়িক বিষয়েরও আধার।’ প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৫’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে আজ একথা বলেন। আগামীকাল শুভ বাংলা নববর্ষ।

তিনি বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা প্রগতি এবং অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছি। বাংলাদেশ এখন আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশ্বের ‘রোলমডেল’। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।  এ স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিগত বছরটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রভূত সাফল্যময়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে পণ্যের ক্রয়বিক্রয়, হালখাতা উৎসব, নতুন পোশাক এবং মিষ্টান্নসহ হরেক রকমের খাবারের জমজমাট ব্যবসা, সব মিলিয়ে বাংলা নববর্ষ বিনোদনের পাশাপাশি আজ দেশের অর্থনীতিতে নতুনত্ব এনেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঙালির এই শাশ্বত সার্বজনীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য বাংলা নববর্ষ উৎসব ভাতা প্রবর্তন করা হয়েছে। বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালির জাতীয়তাবাদ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। বাঙালি জাতি বর্ষবরণ উৎসবকে ধারণ করেছে তাদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলা নববর্ষের উন্মেষ মূলত গ্রামীণ জীবন ঘিরে। হালখাতা উৎসব এবং গ্রামীণ মেলা ছিল একসময় এর মূল আকর্ষণ।

হালখাতা উৎসব কালক্রমে প্রবেশ করেছে নগর জীবনে। দেশের প্রতিটি শহরেই পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। রাজধানী ঢাকার ষাটের দশকের সংযোজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’, আজ জাতিসংঘের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নতসমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন বাংলাদেশকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত এবং সুখীসমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।

, , ,

Home-About Us-Contact Us-Sitemap-Privacy Policy-Google Search