র‌্যাব-২ এর হাতে প্রশ্ন ফাঁসকারী গ্রেফতার
র‌্যাব-২ এর হাতে প্রশ্ন ফাঁসকারী গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ভূয়া প্রশ্নপত্র সংগ্রহ ও বিতরণের অভিযোগ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২


RAB-2-question-raids-arrested-in-hand

সেবা ডেস্ক:  ৪ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ভূয়া প্রশ্নপত্র সংগ্রহ ও বিতরণের অভিযোগে র‌্যাব-২ এর হাতে আটক ১।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেতেই এলিট ফোর্স র‌্যাব অসাধু ব্যক্তি, সংঘবদ্ধ চক্রসহ অন্যান্য অপরাধীদের আইনের আওতায় আনায়নের লক্ষ্যে তার দিপ্ত পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। ফলে দেশের সাধারণ মানুষ শান্তিতে জীবন যাপন করছে এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে।

কিছু অসাধু ব্যক্তি/সংঘবদ্ধ চক্র প্রতি বছরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার যেমন সরকারী-বেসরকারী চাকুরীতে নিয়োগ/স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সুকৌশলে ফাঁস করে চাকুরী প্রার্থী/ছাত্র/ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে শর্তসাপেক্ষে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ সকল অসাধু সংঘবদ্ধ চক্রটিকে আইনের আওতায় আনায়নের লক্ষ্যে র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ টিম গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় ০৪-০৩-২০১৮ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ভোর ০৫.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন কল্যানপুরস্থ মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার সাথে ৩৭ নং বাসার ৬ষ্ঠ তলার এফ-৩ ইউনিট এর পূর্ব কক্ষ হতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল হোতা মো. মাহফুজুর রহমান মাহফুজ(২১), পিতা মো. আব্দুল হাই বাচ্চু, সাং নজিপুর নতুন হাট, নান্টু কমিশনারের বাড়ীর পূর্ব দিকে, থানা পত্নীতলা, জেলা নওগাঁ, বর্তমান ঠিকানা বাসা নং-৩৭ (কল্যানপুর), স্কুল রোড(মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার সাথে), মো. আতাউর রহমান এর বাড়ীর ৬ষ্ঠ তলা, এফ-৩ কক্ষ এর ভাড়াটিয়া, থানা মিরপুর, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিভিল ডিপার্টমেন্ট’এ ৮ম সেমিষ্টারে অধ্যয়নরত। পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি Facebook Massenger Application, Admin Group, Real Admin Bd, Tiger Team BD, Lion or Tiger সহ অন্যান্য গ্রুপ এর সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে এসব গ্রুপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ পূর্বক হোয়াটসএপ ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার এর মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহনরত শিক্ষার্থীদের নিকট হতে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ গ্রহন করে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেয়ার কাজে যুক্ত হন। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, ইতিপূর্বে তারা বিভিন্ন পরীক্ষায় একই ভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের নিকট হতে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের  গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সেবা ডেস্ক: -

,