বকশীগঞ্জে এসিল্যান্ড সহ ছয় দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শূন্য

বকশীগঞ্জে এসিল্যান্ড সহ ছয় দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শূন্য

বকশীগঞ্জ জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শূন্য হয়েছে। এতে করে প্রশাসনিক কাজে চরম স্থবিরতা দেখা গেছে । ফলে সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ পাচঁ মাস ধরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য রয়েছে। এসিল্যান্ড পদটি শূন্য থাকায় ভূমি ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। নামজারি, মিস কেস সহ অন্যান্য কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। এই পদে রায়হান আহমেদ ইউএনও পদে পদোন্নতি হওয়ায় পদটি শূন্য হয়।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী মো. আবু হাসান সিদ্দিক বর্তমানে এসিল্যান্ডের দায়িত্বে থাকলেও তিনি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ভূমি অফিসে তেমন সময় দিতে পারছেন না। সপ্তাহে একদিন ভূমি অফিসে কাজ করে থাকেন ইউএনও আবু হাসান সিদ্দিক।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নেই দুই বছর ধরে। পিআইও মেহেদী হাসান টিটু পাশ্ববর্তী ইসলামপুর উপজেলায় বদলি হলে এই পদটি শূন্য রয়েছে। তবে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনিই রয়েছেন এই উপজেলায়। মাসে একবার এসে কোন রকমে হাজিরা দিয়ে ও ফাইল সই করে চলে যান তিনি।

এতে করে তার পক্ষে বিভিন্ন প্রকল্প দেখভাল করা সম্ভব হচ্ছে না। এক বছর ধরে নেই উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা । এই দপ্তরের কর্মকর্তা ফারহানা জাহান বদলি হওয়ার পর সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা শরীফা আক্তার চলতি দায়িত্বে রয়েছেন।

দুই বছর ধরে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পদটিও শূন্য রয়েছে। সাবেক কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান অন্যত্র বদলি হওয়ায় পদটি শূন্য রয়েছে।

তবে চলতি দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার। তিনি চলতি দায়িত্বে থাকলেও অন্য একটি উপজেলাতেও দায়িত্ব পালন করায় বকশীগঞ্জে কাজের চরম বিঘœ ঘটছে।

দীর্ঘ পাঁচ বচর ধরে নেই উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। বর্তমানে এ পদে চলতি দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী মহিলা বিয়ষক কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমীন।

এছাড়াও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের দুই জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন যাবত শূন্য রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা দপ্তরের চার জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার স্থলে রয়েছে বর্তমানে রয়েছে দুই জন।

এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা না থাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। অবিলম্বে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ বিভিন্ন দপ্তর গুলোতে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া উচিত।

 -

, , , , ,
themeforestthemeforest

ছবি কথা বলে