প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতার আশা করে বিএনপির পায়তারা

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতার আশা করে বিএনপির পায়তারা

সেবা ডেস্ক: মাঠের রাজনীতিতে পরাজয় মেনে এবার প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কিছু কর্মকর্তাকে হত্যা ও গুম করে দেশের শান্ত-প্রিয় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সরকারকে জোরপূর্বক সরিয়ে বেআইনী কায়দায় রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। বিএনপির ধারণা প্রশাসনের সাহায্যে ক্ষমতায় বহাল তবিয়তে রয়েছে আওয়ামী লীগ। তাই প্রশাসনের হাতেগোনা কয়েকজন কথিত আওয়ামী পন্থিদের গুম-খুনের শিকার বানাতে পারলে সহজেই ক্ষমতা দখল করে আবারো দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা যাবে। তাই এই হত্যার মিশনে সন্ত্রাসী ভাড়া করতে ইতোমধ্যে দলের একাধিক নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।

গোপন সূত্রের খবরে জানা গেছে, দেশে সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর। দুর্নীতির দায়ে তাই জেল হাজতে আছেন বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়া। দুর্নীতিসহ একাধিক মামলার দণ্ড মাথায় নিয়ে লন্ডনে পলাতক রয়েছেন তারেক রহমান।সাম্প্রতিক সময়ে দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় দলের আগামী দিনের ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বিএনপি। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে গেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ৩০টিও আসনে জয়ী হতে পারবে না বিএনপি। কারণ বিএনপির অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার চাক্ষুস প্রমাণ হল সিটি নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়। তাই বৈধ উপায়ে ক্ষমতা অর্জন করতে না পেরে অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করে দেশ শাসনের স্বপ্ন দেখছেন তারেক রহমান। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই এবার লন্ডন থেকে ফোন করে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ও স্বাধীনতা স্বপক্ষের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে খুন বা গুম করে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে কাড়ি-কাড়ি খরচ করতেও রাজি হয়েছেন তারেক রহমান। এজন্য দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে বৈঠক করে অপারেশন সাকসেসফুল করার জন্য আদেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। প্রয়োজনে পাকিস্তান থেকে জঙ্গি ভাড়া করে নিয়ে এসে হলেও একাধিক পুলিশ ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হত্যা করার নীল নকশার অনুমোদন দিয়েছেন তারেক রহমান।

এই বিষয়ে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা লন্ডন থেকে কিলিং মিশনের বিষয়ে একাধিক সূত্রের বরাতে গোপন তথ্য পেয়েছি। প্রশাসনের একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তাদের হত্যার মিশন ফাইনাল হয়েছে লন্ডনে। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর জবানবন্দিতে এমন লোমহর্ষক তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষমতায় বসতে তারেক রহমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের অন্তত ৫০ জন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা এটেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত। আমরা মিশনটি ব্যর্থ করে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। দেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা বলেন, তারেক রহমানের একটি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি উদ্বেগজনক। মানুষ মেরে ক্ষমতায় যাওয়ার সাধ এখনো মিটেনি তাদের। একটা কথা বলতে স্পষ্ট বলতে চাই, বাংলাদেশ চালাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচন করে বৈধ উপায়েই সরকার গঠন করে দেশ চালাচ্ছেন তিনি। আর হ্যা, প্রশাসন সরকারের একটা অংশ। সরকারের নির্দেশে দেশ পরিচালনায় তারা সাহায্য করে। শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ বাংলাদেশ। সরকার প্রশাসন চালায়। প্রশাসন সরকার চালায় না। এটি বুঝতে হবে। ক্ষমতায় আসতে হলে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে হবে। তারেক রহমান তো পলাতক আসামী। তার আকাশ-কুসুম কল্পনায় হাসি পায়। পেছন দরজা দিয়ে ক্ষমতায় বসার শখ তাদের এখনও মেটেনি। বিষয়টি আসলেই হাসির খোরাক যোগায়।


, , ,
themeforestthemeforest

ছবি কথা বলে