বাঁশখালীতে ক্লিনিকের প্রচারে মাইকিং নিষিদ্ধ করার দাবী

বাঁশখালীতে ক্লিনিকের প্রচারে মাইকিং নিষিদ্ধ করার দাবী
শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী সংবাদদাতাঃ বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসনের নাগালে, পুরো প্রধান সড়কজুড়ে প্রায়ই প্রতিদিন বাঁশখালীর বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেম্বারে রোগী দেখার প্রচারে মাইকিং চলছে দেদারছে। শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর আইন অমান্য করে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, চলমান স্কুল-কলেজ, মাদরাসা সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাগালে চলছে উচ্চস্বরে এদের মাইকিং। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীরা শব্দ দূষণে অতিষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন। শব্দ দূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানান সচেতন জনগণ।

আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও মিশ্র এলাকাভেদে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত শব্দের সহনীয় মাত্রা ৫০-৭০ ডেসিবেল হলেও বাঁশখালীর পুরো প্রধানসড় ও আবাসিক এলাকায় শব্দের সহনীয়মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং বিশ্বব্যাংকের একাধিক গবেষণায় সারা বিশ্বের মানুষের ৩০টি কঠিন রোগের অন্যতম কারণ হিসেবে শব্দদূষণকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালীতে ৩০টা ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ৮ টি বেসরকারী হাসপাতাল/ ক্লিনিক রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সনদ ছাড়াই ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো পরিচালিত হচ্ছে অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন টেকনোলজিস্ট দিয়ে। এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত চেম্বারে বসা চিকিৎসকদের পক্ষে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাইকে প্রচারণা চালানো হয়। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। এতে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এ অবস্থায় শব্দ দূষণরোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান সচেতন মহল।


 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please