মাত্র তিন দিনেই পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট

মাত্র তিন দিনেই পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট
সেবা ডেস্ক: চলতি মাস ডিসেম্বরেই ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে । জরুরিভাবে পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিলে ও তথ্য ঠিক থাকলে সাত কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট দেয়া হবে। আর অতি জরুরি পাসপোর্ট দেয়া হবে ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের মধ্যে।

এরইমধ্যে ইলেকট্রনিক পাসপোর্টের (ই-পাসপোর্ট) জন্য ফি নির্ধারণ করে পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হবে না। এমনকি ছবি সংযোজন ও তা সত্যায়ন করারও দরকার নেই।

ই-পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ কাল, বিতরণের ধরণ অনুসারে ভ্যাট ছাড়া সর্বনিম্ন ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ফি ১২ হাজার নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বর্তমানে পাসপোর্টের জরুরি ফি ভ্যাটসহ ৩ হাজার ৪৫০ ও অতি জরুরি ফি ভ্যাটসহ ৬ হাজার ৯০০ টাকা।

এদিকে, ই-পাসপোর্ট চালুর সব কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। চলতি মাসে সময় নির্ধারণ করে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেলে শিগগিরই আয়োজন করা হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে কয়েক দফা উদ্বোধনের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে গিয়েছে বার বার। গত ১ জুলাই থেকে অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের নাগরিকদের। যে পাসপোর্টের ডাটা থাকবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ডাটা বেইসেও। এই উদ্যোগ ২০১৭ সালে নেয়া হলেও বিভিন্ন কারণে তা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় পাওয়া সাপেক্ষে চলতি মাসের যেকোনো একদিন চালু হতে যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত ই-পাসপোর্ট।

ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। এ পাসপোর্ট চালুর জন্য জার্মানির সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে অনেক আগেই। তাদের কারিগরি সহযোগিতায় ই-পাসপোর্ট চালু হতে যাচ্ছে।

ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ফিচার থাকবে। বর্তমানে এমআরপি ডাটা পেজে যেসব তথ্য আছে, তা ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে। এই ই-পাসপোর্টের মেয়াদ বয়স অনুপাতে ৫ ও ১০ বছর হবে।

 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please