“আমাদের নেতা কর্মীরা পরিবেশ সংরক্ষণের কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে”

“আমাদের নেতা কর্মীরা পরিবেশ সংরক্ষণের কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে”

সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১ বছর পেরিয়ে গেল। সাত দশকের খতিয়ানে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ধর্মীয় শব্দ বাদ দিয়েই রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করছে পরপর তিনবার এবং মোট চারবার ক্ষমতায় থাকা দলটি।

দলের সর্বোচ্চ নেত্রী তথা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার জনগণের কল্যাণটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। করোনা সংক্রমণের কারণে সবরকম অনুষ্ঠানে জনসমাগম হবে না।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে জাকীয় সংসদে দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের দিনে আমাদের এটাই শিক্ষা, বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী একটি সমস্যা। মানুষ যাতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রেখেই মুজিববর্ষ উৎযাপনের সকল কর্মসূচি স্থগিত করেছি। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করি। এটা নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য তা পালন করতে পারিনি। আজকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও বিশেষভাবে উদযাপনের কথা ছিল, সেটাও করতে পারলাম না। আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সীমিত আকারে উদযাপন করছি।’

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকার রোজ গার্ডেন ভবনে দলটির প্রতিষ্ঠা হয়। সেই থেকে পাকিস্তানের অন্যতম ও পরে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে আওয়ামী লীগ।

প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে দুঃখকষ্ট মানুষের মাঝে আছে। তবে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগ-কৃষকলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আমাদের নেতা-কর্মীরা প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো, লাশ দাফন থেকে শুরু করে সমস্ত কাজে মানুষের পাশে আছে। এলাকাভিত্তিক তারা কাজ করে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময়ও তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এখন বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। এইভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘জাতির জনকের নাম এক সময় ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। অবশ্য সত্যকে মোছাও যায় না। জাতির পিতা শারীরিকভাবে আমাদের কাছে নেই। তার অস্তিত্ব বাঙালির হৃদয়ে আছে। তার যে আকাঙ্ক্ষা, সেটা আমাদের পূরণ করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর আইয়ুব খানের সকল রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিয়ে বঙ্গবন্ধু জনগণের ক্ষমতায়ন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করাই এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৭৫৭ সালে সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সেই সূর্য উদিত হয় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষ অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। যুদ্ধ করে ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। জাতির পিতা আজীবন সংগ্রাম করেছেন এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। তিনি তার সংগ্রামের পথে অনেক বাধা বিপদ অতিক্রম করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, একমাত্র আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে বাঙালি কিছু পেয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এছাড়া অন্য সময় পেছনে টেনে রাখার চেষ্টা হয়েছে।’

ভিডিও নিউজ


-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন


, ,

0 comments

Comments Please

আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য সেবা হট নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সেবা হট নিউজ : সত্য প্রকাশে আপোষহীন