বিয়ের দাবীতে কলেজ ছাত্রী প্রেমিকের বাড়ীতে ৫ দিনব্যাপী অনশন

বিয়ের দাবীতে কলেজ ছাত্রী প্রেমিকের বাড়ীতে ৫ দিনব্যাপী অনশন

উল্লাপাড়া প্রতিনিধি: উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রানার(২৩) বাড়ীতে অনশনে করছেন এক প্রেমিকা। গত রবিবার রাত থেকে উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের দক্ষিণ-গাইলজানী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, প্রায় ৩ বছর পূর্ব  থেকেই  তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখন সে কুচিয়ামারা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী। অনশনকারী প্রেমিকা কলেজ  ছাত্রী জানান, আমার প্রেমিক মোঃ রানার সঙ্গে দীর্ঘ ৩ বছর যাবৎ সম্পর্ক এবং তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে সময় কাটিয়েছে। গত রবিবার বিকেলে বিয়ের কথা বলে আমার নিজ বাড়ি থেকে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। এ নিয়ে সোমবার সকালে এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে বিষয়টি জানাযানি হলে তার পারিবারিক চাপে প্রেমিক রানা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত থেকে আব্দুল খালেক এর ছেলে প্রেমিক রানার বাড়িতে একই গ্রামের এক কলেজ ছাত্রী বিয়ের দাবিতে অনশন করছে। এর আগেও দিন রাতে মেয়ের বাড়িতে ছেলে অনৈতিক কাজ করার জন্য গেলে গ্রাম বাসীর নজরে পরে। এসময় তাকে ধরার চেষ্টা করলে সে তার মোবাইল, সিম, ঘরি, জুতা রেখে পালিয়ে যায়। কলেজ ছাত্রী নিজের সম্মান বাঁচাতে বিয়ের দাবীতে ছেলের বাড়িতে গিয়ে ওঠে মেয়েটি।

সেই সময় ছেলের অভিভাবকরা প্রথমে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পরে ছেলে এবং তার মা পালিয়ে যায়। বর্তমানে বাড়ীতে কেউ না থাকায় ছেলের পরিবারের তার চাচা কাছে প্রেমিকাকে রেখে দেওয়া হয়েছে।

প্রেমিকা বলেন, গত তিন বছর আগে থেকেই রানার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ও আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। আমার দাবি, রানা ও তার পরিবারের লোকজন বিয়ের বিষয়টির সুরাহা দিতে হবে। তা না করা পর্যন্ত আমার অনশন চলবে বলে জানান প্রেমিকা।

এ বিষয়ে বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হায়দার আলী ও গ্রাম প্রধান হাসেন আলী বলেন, মিয়ের পরিবারের সাথে কথা হয়েছে। তবে ছেলের পরিবার পলাতক থাকায় মীমাংসা করা সম্ভব হয় নাই। তখন নিরুপায় হয়ে ঐ মিয়ে কে ছেলের চাচার কাছে রাখা হয়েছে।

বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা বলেন, ঘটনার পর মিমাংসা করার জন্য ইউপি সদস্য হায়দার আলী চেষ্টা করেছে,তবে ছেলের পরিবার পলাতক থাকায় সম্ভব হয়ে নাই, পরে মেয়ের পরিবার থানায় অভিযোগ করেছে বলে বিষয়টি যানাজায়।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক কুমার দাস বলেন, ঘটনার বিষটি থানায় একটা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
 


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।