সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১ তম জন্মদিন

আজ তোমার ৫১ তম জন্মদিন, শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়



এস এম আশরাফুল আজম: স্বাধীন বাংলাদেশের বয়সের সমান বয়স তোমার, বাংলাদেশের জয়েই তোমার জয়, আগামীকাল তোমার ৫১ তম জন্মদিন।। শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়।।। 

আগামীকাল ২৭ জুলাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন। 

১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম সন্তান জয়ের জন্ম হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

সজিব ওয়াজেদ জয় এর শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও অর্জন করেন।

“ডিজিটাল বাংলাদেশ এক সময় স্বপ্ন ছিল আমাদের কাছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরে। জয় বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায় উপস্থাপন করেছে বিশ্বের সামনে। এরকম আরো অনেক বড় অর্জন আসুক তাঁর হাত ধরে।” - নাসরুল হামিদ
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর ধারণাটি সজিব ওয়াজেদ জয়ের উদ্যোগেই যুক্ত হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ এ ধারণা ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছিল, যা ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সজিব ওয়াজেদ জয়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন তিনি। ওই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা সফরের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বেশ ভালো প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হন সজিব ওয়াজেদ জয়। ওই বছরের ১৭ নভেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়কে অবৈতনিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে ২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নির্বাচিত হন তিনি।

“বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার রোল মডেল। তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।”- সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও বাঙালি জাতির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসেন তিনি। 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন তিনি। ওই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা সফরের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বেশ ভালো প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন জয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।

বর্তমানে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে জয়ের  ‘লেটস টক’ ও ‘পলিসি ক্যাফে’ দুটি প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এছাড়া তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে তরুণদের বৃহত্তম প্ল্যাটফরম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা করেন। সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ফেসবুকে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। ইতোমধ্যে ‌‌‘ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি’ হিসেবে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে।


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।