আজ বিশ্ব এইডস দিবস, যেভাবে এলো দিবসটি!

আজ বিশ্ব এইডস দিবস, যেভাবে এলো দিবসটি!



সেবা ডেস্ক: আজ (বুধবার, ডিসেম্ব’র) বিশ্ব এইডস দিবস। প্রতিবারে’র মতো এবা’রও বাংলাদেশে দিবসটি পালন করা’র উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বছ’র দিবসে’র প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে – ‘বৈষম্যে’র অবসান ঘটাও। এইডস এবং মহামারী  হটাও’ (ইন্ড ইকুয়ালিটিস, ইন্ড এইডস, ইন্ড প্যানডেমিকস) ১৯৮৮ সাল থেকে এইডসে’র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি’র লক্ষ্যে প্রতিবছ’র বিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়ে আসছে।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

ইউএনএইডস এ’র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মানুষ এইডস আক্রান্ত ‘রয়েছে এবং পর্যন্ত প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মানুষ ম’রণঘাতি রোগে মৃত্যুব’রণ করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি’র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে’র মোট এইডস আক্রান্ত মানুষে’র সংখ্যা ৩৭ দশমিক মিলিয়ন। এ’রমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক লোক ৩৬ দশমিক মিলিয়ন। মোট আক্রান্তে’র ১৮ দশমিক মিলিয়ন নারী এবং দশমিক মিলিয়ন শিশু।

শুধু ২০১৮ সালে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দশমিক মিলিয়ন, যা’র মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক দশমিক মিলিয়ন। সময়ে এইডস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে লাখ ৯০ হাজা’র মানুষে’র। যা’র মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক লাখ ৭০ হাজা’র এবং শিশু লাখ।

জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগী’র সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজা’র। এসব রোগী’র মধ্যে পর্যন্ত শনাক্ত হয়ে চিকিৎসা’র আওতায় এসেছে মাত্র হাজা’র ৬০৬ জন।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে আজ সকাল ১১টায় রাজধানী’র মহাখালিস্থ বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা’র আয়োজন করেছে স্বাস্থ্য পরিবা’রকল্যাণ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য পরিবা’র ক্যলাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন।

 

যেভাবে এলো বিশ্ব এইডস দিবস

১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছ’র ০১ ডিসেম্ব’র দিনটিকে বেছে নেয়া হয়েছে। এইচআইভি সংক্রমণে’র জন্য এইডস মহামারি ছড়িয়ে পড়া’র বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি ক’রতে এবং যারা এই রোগে মারা গেছেন তাদে’র প্রতি শোক পালন ক’রতে এই দিনটিকে বেছে নেয়া হয়েছে।

স’রকারী স্বাস্থ্য আধিকারিকগণ, বেস’রকারী সংস্থাগুলো এবং বিশ্বে বিভিন্ন ব্যক্তি, এইডস প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সবাইকে সচেতন ক’রতে এই দিনটি পালন করে।

বিশ্ব এইডস দিবসটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দ্বারা চিহ্নিত, বিশ্ব জনস্বাস্থ্য সচেতনতা’র উদ্দেশ্যে ঘোষিত, আটটি বিশেষ দিনে’র মধ্যে একটি, বাকি সাতটি দিন হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, বিশ্ব ‘রক্তদাতা দিবস, বিশ্ব টিকা দিবস, বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস এবং বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস।

প্রতিষ্ঠানটি’র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে’র মোট এইডস আক্রান্ত মানুষে’র সংখ্যা ৩৭ দশমিক মিলিয়ন। এ’রমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক লোক ৩৬ দশমিক মিলিয়ন। মোট আক্রান্তে’র ১৮ দশমিক মিলিয়ন নারী এবং দশমিক মিলিয়ন শিশু।

শুধু ২০১৮ সালে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন এক দশমিক সাত মিলিয়ন, যা’র মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক এক দশমিক ছয় মিলিয়ন। সময়ে এইডস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে সাত লাখ ৯০ হাজা’র মানুষে’র। যা’র মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ছয় লাখ ৭০ হাজা’র এবং শিশু এক লাখ।

জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগী’র সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজা’র। এসব রোগী’র মধ্যে পর্যন্ত শনাক্ত হয়ে চিকিৎসা’র আওতায় এসেছে মাত্র ছয় হাজা’র ৬০৬ জন।

ইউএনএইডস এ’র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মানুষ এইডস আক্রান্ত ‘রয়েছে এবং পর্যন্ত প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মানুষ ম’রণঘাতি রোগে মৃত্যুব’রণ করেছে। এ’র ফলে এটি নথিভুক্ত ইতিহাস অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম জনস্বাস্থ্য বিষয় হিসেবে পরিণত হয়েছে।

বিশ্বে’র অনেক অঞ্চলে সাম্প্রতিক উন্নত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পৌঁছোনো’র ফলে, ২০০৫ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যায় মৃত্যু’র প’র এইডস মহামারি থেকে মৃত্যু’র হা’র কমেছে (২০১৬ সালে এক মিলিয়ন, যেখানে ২০০৫ সালে ছিল . মিলিয়ন)

সুইজা’রল্যান্ডে’র জেনেভাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচি’র দুজন জনতথ্য কর্মকর্তা জেমস ডব্লু বুন এবং টমাস নেটটা’র দ্বারা ১৯৮৭ সালে’র আগস্টে প্রথম বিশ্ব এইডস দিবসে’র পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচি’র (বর্তমানে আনএইডস নামে পরিচিত) পরিচালক . জোনাথন মানে’র কাছে বুন এবং নেটটা’র তাদে’র ধা’রণাটি’র কথা জানিয়েছিলেন।

. মান এই ধা’রণাটি পছন্দ করে এটি’র অনুমোদন করেন এবং ১৯৮৮ সালে’র ০১ ডিসেম্ব’র বিশ্ব এইডস দিবসটি প্রথম পালন করা উচিত এমন পরামর্শে’র সঙ্গে একমত হন। সান ফ্রান্সিসকো’র প্রাক্তন টেলিভিশন সম্প্রচা’র সাংবাদিক বুন, ০১ ডিসেম্ব’র তারিখটি’র সুপারিশ করেছিলেন। তা’র বিশ্বাস ছিল মার্কিন নির্বাচনে’র যথেষ্ট পরে কিন্তু বড়দিনে’র ছুটি’র আগে, পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমগুলি দ্বারা বিশ্ব এইডস দিবসে’র প্রচা’র সর্বাধিক হবে।

এ’র প্রথম দুই বছরে, বিশ্ব এইডস দিবসে’র প্রতিপাদ্য শিশু এবং তরুণদে’র লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছিল। এই প্রতিপাদ্যটি বেছে নেয়া’র সময়, কিছু ঘটনা উপেক্ষা করা’র কা’রণে এ’র সমালোচনা করে বলা হয়েছিল যে সব বয়সে’র লোকেরা এইচআইভিতে আক্রান্ত হতে পারে, প্রতিপাদ্যটি রোগটিকে ঘিরে থাকা কিছু কালিমা মোচন ক’রতে এবং পারিবারিক রোগ হিসেবে সমস্যাটি’র স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করেছিল।

১৯৯৬ সালে এইচআইভি / যৌথ জাতিসংঘে’র এইডস সম্পর্কিত কর্মসূচি (ইউএনএআইডিএস) চালু হয়েছিল, এটি বিশ্ব এইডস দিবসে’র পরিকল্পনা প্রচারে’র দায়িত্ব অধিগ্রহণ করে। শুধু একটি দিনে মনোযোগ না দিয়ে, আনএইডস ১৯৯৭ সালে বছ’রব্যাপী যোগাযোগ, প্রতিরোধ শিক্ষা’র উপ’র গুরুত্ব দেওয়া’র জন্য বিশ্ব এইডস অভিযান তৈরি করেছিল। ২০০৪ সালে, বিশ্ব এইডস প্রচা’র, একটি স্বাধীন সংগঠনে পরিণত হয়েছিল।

প্রতি বছ’র, পোপ জন পল দ্বিতীয় এবং দ্বাদশ বেনেডিক্ট বিশ্ব এইডস দিবসে রোগী এবং চিকিৎসকদে’র জন্য একটি শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করেন।

২০১৬ সালে, এইচআইভি এবং এইডস সম্পর্কিত এনজিওগুলো (প্যানেজিয়া গ্লোবাল এইডস এবং দক্ষিণ আফ্রিকা’র জন্য এইডস এবং অধিকা’র জোট সহ) বিশ্ব এইডস দিবসটিকে বিশ্ব এইচআইভি দিবসে’র নামে করা’র জন্য একটি প্রচা’র কার্য শুরু করেছিল। তারা দাবি করে যে এই পরিবর্তন সামাজিক ন্যায়বিচারে’র বিষয়গুলো, এবং প্রি এক্সপোজা’র প্রফিল্যাক্সিস (ব্যাধি’র আক্রমণ হবা’র আগে চিকিৎসা) এ’র মতো চিকিৎসা’র অগ্রগতি’র ওপ’র জো’র দেবে।

২০০৭ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, হোয়াইট হাউস ভবনে’র উত্তরে’র বারান্দায়, ২৮ ফুট (. মি) লম্বা এইডস ফিতা সাজিয়ে, বিশ্ব এইডস দিবসকে চিহ্নিত করা শুরু করে। সেই সময়, রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ. বুশ প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকারী হোয়াইট হাউসে’র সহযোগী স্টিভেন এম লেভাইন, বিশ্ব এইডস মহামারী মোকাবিলা করা’র জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে’র প্রতিশ্রুত পিইপিএফএআ’র প্রোগ্রামে’র প্রতীকে’র মাধ্যমে প্রদর্শনে’র প্রস্তাব করেছিলেন। হোয়াইট হাউস প্রদর্শন, যেটি এখন প’রপ’র চা’রজন রাষ্ট্রপতি’র প্রশাসনেই একটি বার্ষিক ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, দ্রুত সম্মতি জারি করে। 


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।