যুক্তরাষ্ট্র ও তুর্কি’র দুই যাত্রীর কাছে মিললো ২লাখ ৩০হাজার ডলার

যুক্তরাষ্ট্র ও তুর্কি’র দুই যাত্রীর কাছে মিললো ২লাখ ৩০হাজার ডলার
আটককৃত মার্কিন ডলার



: কোন প্রকার ঘোষণা ছাড়াই ২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুর্কি যাওয়ার পথে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দেশি-বিদেশী যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ।


এর মধ্যে মাহমুদা ফিরোজ নামে এক বাংলাদেশি নারীর কাছ থেকে ৩০ হাজার ৫০০ ডলার এবং মেহমাত রেজমি নামে এক তুর্কি নাগরিকের কাছ থেকে দুই লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়।


ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেন্টিভ বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন জানান, মাহমুদা ফিরোজকে বুধবার সন্ধ্যায় ৩০ হাজার ৫০০ ডলারসহ ৭ নম্বর বোর্ডিং গেইটে আটক করা হয়। ওই ডলার নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছিলেন।


পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১০ নম্বর বোর্ডিং গেইট থেকে আটক করা হয় তুরস্কের নাগরিক মেহমাত রেজমিকে। তিনি কোনো ঘোষণা না দিয়েই দুই লাখ ডলার নিয়ে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তুরস্কে যাচ্ছিলেন।


মেহমাত রেজমিকে আটক করার পর তার ব্যাগ তল্লাশি করে প্রথমে এক লাখ ২০ হাজার ডলার পাওয়া যায়। তারপরে তার দেহ তল্লাশি করে আরও ৮০ হাজার ডলার উদ্ধার করা হয়।


বাংলাদেশ থেকে একজন যাত্রী বিদেশে যাওয়ার সময় ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা সঙ্গে রাখতে পারেন। এর বেশি অর্থ সঙ্গে থাকলে শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে এফএমজে ফরমে ঘোষণা দিতে হয়। 


মোহাম্মদ হারুন বলেন, মাহমুদা ফিরোজ ঢাকার নিউ মার্কেট এলাকায় থাকেন। তার দুই ছেলে-মেয়ে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি ৩০ হাজার ৫০০ ডলার নিয়ে তাদের কাছেই যাচ্ছিলেন।


আর তুরষ্কের যাত্রী মেহমাত প্রথম দফা ঢাকায় আসেন ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর। এরপর ফিরেও যান। পরে গত ২৪ মে আবার ঢাকা আসেন।


“তিনি কী করেন, কেন ঢাকায় এসেছিলেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য তার কাছ থেকে আদায় করা যায়নি। তিনি তুর্কি ভাষায় কথা বলছিলেন, ইংরেজি ব্যবহার করছেন না,” বলেন হারুন।


বাংলাদেশি যাত্রী মাহমুদার বিরুদ্ধে রাতেই বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা হয়েছে। তুরস্কের যাত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সকালে। দুজনকেই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।