ফেসবুক লাইভে শাশুড়ি-স্ত্রীর কুকীর্তি ফাঁস করে ফাঁসিতে ঝুললেন কাজিপুরের মামুন

: পাঁচ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামছুল হকের ছেলে প্রকৌশলী মামুন। ফেসবুক লাইভে এসে ফাঁসিতে ঝুলে মৃত্যুর পূর্বে তিনি তার মৃত্যুর জন্যে দায়ীদের সকল কুকীর্তি ফাঁস করে দিয়েছেন।

ফেসবুক লাইভে শাশুড়ি-স্ত্রীর কুকীর্তি ফাঁস করে ফাঁসিতে ঝুললেন কাজিপুরের মামুন
ফেসবুক লাইভে এসে  শাশুড়ি স্ত্রী ও তার বড়বোনের কুকীর্তি ফাঁস করে ফাঁসিতে ঝুললেন কাজিপুরের মামুন



 গত সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর হাজিরাবাগ থানার জিগাতলায়। এই ঘটনায় নিহতের ভাই আবু আল হারুন বাদী হয়ে গত  মঙ্গলবার ওই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার সূত্র ধরে থানা পুলিশ নিহত মামুনের স্ত্রীর বড়বোন ও শাশুড়িকে বৃহস্পতিবার আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।


 মামলাসূত্রে জানা গেছে,  পাঁচ বছর পূর্বে বগুড়া জেলার শেরপুর থানায় গোপালপুর গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে শামীম আরা তানজুমা তালুকদারকে বিয়ে করেন প্রকৌশলী মামুন।


 তাদের ঘরে দুই বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পরে মামুন ঢাকার মিরপুর ৬ নং ব্লকের ভাড়া বাসায়  থাকতেন। কিছুদিন পর সেই বাসায় মামুনের বউয়ের বড়বোন শায়লা এসে থাকতে শুরু করেন। এরপর শায়লা ও  মামুনের শাশুড়ি নানা সময়ে মামুনকে অত্যাচার করতে শুরু করেন। মামুনের স্ত্রী  বিভিন্ন বিষয়ে তার বড়বোন ও মায়ের কথায় নানাভাবে মামুনকে মানসিক অত্যাচার করতে শুরু করেন।  এই অত্যাচারের  এক পর্যায়ে ২৯স আগস্ট  মামুনের স্ত্রী ও তার শাশুড়ি ঢাকার বাসা থেকে বগুড়ায় চলে আসে। এরপর দিন তারা আবার মামুনের বাসায় গিয়ে মামুনের শাশুড়ি জানায় তার মেয়ে মামুনকে তালাক দেবে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মামুন ওইদিনই রাতে নিজের বাসা ছেড়ে তার অফিস জিগাতলায় আসেন। এবং সেখানেই  মঙ্গলবার গভীর রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও বউয়ের বড়বোনের সকল অত্যাচার নির্যাতনের কাহিনীর বর্নণা করেন। একপর্যায়ে ফ্যানের সাথে গামছা লাগিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরদিন সকালে খবর পেয়ে মামুনের ভাই আবু আল হারুন পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে পোস্ট মর্টেমে নেয়।  


বাদী আবু আল হারুন জানান, কি অপরাধ ছিলো আমার ভাইয়ের?  দজ্জাল শাশুড়ি ভাইয়ের স্ত্রী আর স্ত্রীর বড়বোন নানা সময়ে মানসিক নির্যাতন করে অবশেষে আমার ভাইকে তারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। আমি এই ঘটনার ন্যায় বিচার চাই। 



শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।