গুনাইগাছ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছা তারিত ও অনিয়মের অভিযোগ
গুনাইগাছ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছা তারিত ও অনিয়মের অভিযোগ

 ডাঃ জি.এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম উলিপুর উপজেলার ৯নং গুনাইগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিত  ও অনিয়মের অভিযোগ এন ঐ ইউনিয়নের ১২জন ইউপি সদস্য ও সদস্যা ০৬.০৯.২০১৭ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আজ অবধি ধর্মঘট করেছেন যার অনুলিপি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা প্রশাসক  সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। অত্র ইউনিয়নের ১২জন ইউপি সদস্যের স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বরাবর প্রেরিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে চেয়ারম্যান সাহেব পরিষদের ৩টি মাসিক সভা ছাড়া, অদ্যবধি মাসিক সভা আহ্বানের প্রয়োজন বোধ করেননি। তিনি গ্রাম,পারিবারিক, আদালত,ক্রয়, নিরীক্ষা স্থায়ী কমিটি ইউনিয়ন সমন্নয় কমিটি প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন করেননি। তিনি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের আয় ব্যায়ের হিসাব প্রধান ছাড়াই ২০১৭-১৮অর্থ বছরের গোপন বাজেট দাখিল করেছেন। প্রায় ৬ হাজার জন্ম নিবন্ধন সনদ, ট্রেড, লাইসেন্স.অন্যান আয়ের প্রায় দশলক্ষাধিক টাকা নিজের ইচ্ছেমত তছরূপ করেছেন। রাজস্ব এডিপি হাট বাজার উন্নয়ন খাতে ১৫% ,৫% প্রাপ্ত প্রায় সাত লক্ষাধিক টাকার টাকার প্রকল্পের তথ্য গোপন করেছেন। তিনি গ্রাম,আদালত, খোয়ার, ইজারা, হলরুম ভাড়া মাঠ ভাড়া হতে আয় প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকা তছরূপ করেছেন। টিআর, কাবিখা, ননওয়েজের ৫০% ভিজিএফ ৪০% নিয়ে থাকেন। বিতরণে পরিষদ বর্গকে উপস্থিত থাকতে নিষেদ করে থাকেন। তিনি জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রাপ্ত ১৮ মে:টন জি আর মালামাল নিজ বাড়ীতে উটিয়ে  ভোটের কর্মীর তালিকা করে অর্ধেকেই তছরূপ করে পরিষদ বর্গকে তাদের ন্যয্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। যাহা তালিকা প্রদর্শন স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হইবে। চেয়ারম্যান সাহেব টিয়ার ,কাবিটা, মূল বরাদ্দের অর্ধেক গোপন রেখে অবশিষ্ট অর্ধেকের ৫০% অংশ নিয়ে থাকেন। তিনি ইউপি সদস্য গণের প্রতিটি তালিকা প্রণয়নে ভাই,ভাতিজা, কর্মীকে সম্পৃক্ত করে সংকটের সৃষ্টি করেন। তিনি বরাদ্দ ও পরিষদ সংক্রন্ত সরকারি চিঠি পত্রাদি ,ভিজিডি, ভিজিএফ, জিআর মালামালের তালিকা ও অন্যান গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পরিষদে না রেখে বাড়ীতে গোপনে রাখেন। মালামাল কিংবা অর্থ বরাদ্দের চিঠি পত্রাদি পরিষদ বৈঠকে উপস্থান করেন না। সর্বোপরি তিনি পরিষদ বর্গের মধ্যেকার  ঐক্যে একে অপরকে দিয়ে ফাইল ধরিয়ে নিজে ফায়দা লুটে থাকেন। অতএব মহাদয় সমীপে বিনিত আরজ উপরোক্ত অনিয়ম তছরূপ তথ্য গোপনের বিষয়গুলি সরে জমিনে তদন্ত পূর্বক আশুব্যবস্থা গ্রহণে মহোদয়ের একান্ত মর্জি হয়। এবেপারে ৪নং ওর্য়াড ইউপি সদস্য আবুল কাশেস বলেন জনগণের সেবা করার জন্যই আমরা পরিষদে আসি। কিন্তু চেয়ারম্যানের এই লুটপাট মানুষিকতার কারণে কিছুই করতে পাইতেছি না।