সরকারি চাকরির কোটা পূরণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সেবা ডেস্ক: - সরকারি চাকরিতে কোটা পূরণের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে কোটা বিষয়ে যে ব্যখ্যা দেওয়া হয়েছেতা পুনরায় খতিয়ে দেখার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৩৩তম বিসিএসের ৭৭ দশমিক ৪০ শতাংশ পদ মেধা কোটা দিয়ে পূরণ করা হয়েছে। আর ৩৫তম বিসিএসে ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ৩৬তম বিসিএসে ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ পদ মেধা থেকে পূরণ হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মেধা কোটা কখনও অবহেলিত হয় না। মেধাটা আসলে… যেমন ধরুন মহিলা কোটা- মহিলা কোটায় যদি ১০টি পদ থাকে, এই ১০টির মধ্যে তারাই আসবে যারা লিখিত বা অন্যান্য সব ক্যাটাগরিতে ভালো করেছে, তারাই আসবে যারা উপরের দিকে আছে। মহিলাদের মধ্যে যারা মেধা তালিকায় ভালো করবে তারাই আসবে। এমন নয় যে যারা মেধাবী তারা অবহেলিত হয়ে যাচ্ছে, পিছনে পড়ে যাচ্ছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, সরকারি চাকরির বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, কিছুটা অনির্ধারিত আলোচনা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে, দেখে এটা অবহিত করবে।
উল্লেখ্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে গত ৬ মার্চ কোটা সংক্রান্ত যে নির্দেশনা জারি করেছিল তাতে বলা হয়, ‘সকল সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হলে সেই সকল পদ মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য হইতে পূরণ করিতে হইবে।’
এই আদেশের বিষয়ে ৫ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান স্বাক্ষরিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করা হয়। সেই পরিপত্রে কোটা বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তা অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

,
themeforestthemeforest