খারাপ সময়ের মধ্যে বিএনপি; ভেঙে যাওয়ার আশংকায় কুড়েঘর

খারাপ সময়ের মধ্যে বিএনপি; ভেঙে যাওয়ার আশংকায় কুড়েঘর

সেবা ডেস্ক: দুর্নীতির দায়ে জেল খাটছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একাধিক মামলার দণ্ড মাথায় নিয়ে লন্ডনে পলাতক জীবন যাপন করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। মির্জা ফখরুল দলকে নেতৃত্ব দিতে প্রায় ব্যর্থ। হাজারো নেতা-কর্মী জেল হাজতে। লক্ষ-লক্ষ মামলায় জর্জরিত বিএনপি। দলের অবস্থা ভেঙ্গে পড়া কুড়ে ঘরের মত। যেকোন মুহূর্তে অস্তিত্ব বিলিন হতে পারে দলটির। দলের অন্তিম মুহূর্তের মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। একাধিক জোটগঠন করতে তৎপর হয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ইফতার রাজনীতিতে দল গঠনের আভাসও দিয়েছেন নেতারা। পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা দলে দলে যোগ দিচ্ছেন আওয়ামী লীগসহ একাধিক পার্টিতে। খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে দলটি।

সূত্রের খবরে জানা গেছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন নিজ পকেট ভর্তি করতে ব্যস্ত ছিলেন খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ একাধিক তৎকালীন মন্ত্রী-মিনিস্টার। দুর্নীতি করতে করতে বাংলাদেশকে আফ্রিকার দরিদ্রপিড়িত দেশে পরিণত করেছিল বিএনপি। এছাড়া জামায়াত সরকারের শরিক থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে দুর্নীতি করতে হলেও ভাগ দিতে হত বিএনপিকে। সব মিলিয়ে হাতেগুনা কজন বিএনপির সিনিয়র নেতা ছাড়া অবশিষ্ট নেতাদের ভাগ্যে পাঁচ বছরের আমের ছোঁচা ও আটি ছাড়া কিছুই জোটেনি। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান গাছেরও খেয়েছেন ও গোড়ারটাও কুড়িয়েছেন। নেতারা শুধু ছাগলের চার নাম্বার বাচ্চা হয়ে ঘুরাঘুরি করেছেন।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, আজকে বিএনপি বিরোধী দলেও নেই। ভয়ংকর সময় পার করছে দলটি। রংপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে মুখ থুবড়ে পড়ে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে তৃণমূল কমিটি অনুমোদন দেওয়াতেও চলছে টাকার খেলা। একটা পদ নিতে হলে পকেট খালি করে নেতাদের পকেট ভরাতে হবে। মিছিল-মিটিং করে জেল খাটলেও কেউ খোঁজ নিচ্ছে না। তাই ক্ষোভে-দুঃখে দলে দলে বিএনপি কর্মীরা আওয়ামী লীগসহ একাধিক পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন। বিএনপি কর্মীরা বুঝতে পারছেন যে তারেকের ব্যর্থ ও উদ্দেশ্যহীন নেতৃত্বে বিএনপি কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বিএনপি এখন নালিশ পার্টি। কিছু হলেই তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল-রিজভী আহমেদরা প্রেস ব্রিফিং করে কান্নাকাটি করেন। ঈদ-পরবে নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবি করেন তারেক-মির্জা গংরা। দলের কার্যক্রম নেই, অথচ চাঁদা দিতে দিতে কর্মীদের গায়ের কাপড় পর্যন্ত বিক্রি করার দশা হয়েছে। এসব কারণে তৃণমূল বিএনপিসহ কেন্দ্রীয় বিএনপিতে ভাঙন শুরু হয়েছে। যে দলের ভবিষ্যৎ নেই সেই দলের সদস্য হয়েও থাকতে চান না বিএনপি কর্মীরা। বুড়া গরুর অপরাধের জন্য জোয়ান গরুরা মার খেতে রাজি না।


,
themeforestthemeforest

ছবি কথা বলে