SebaBanner

আজ*

হোম
বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য ইসরাইলের হাত ধরেছে তারেক জিয়া

বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য ইসরাইলের হাত ধরেছে তারেক জিয়া

সেবা ডেস্ক: দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেত্রী ও চেয়ারপারসন বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোন উপায়ে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসতে এবং অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

ষড়যন্ত্রের আদ্যোপান্তে রয়েছেন লন্ডনে পলাতক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেতা তারেক জিয়া। এবার আওয়ামী লীগ সরকারকে শায়েস্তা করতে মুসলিম বিশ্বের অনিষ্টকারী হুহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে হাত মিলিয়েছেন তারেক রহমান।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, গণতান্ত্রিক উপায়ে ন্যায্য আন্দোলন করে দণ্ডপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আগামী নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে আদালতের রায়ের উপর।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এখন কাণ্ডারি বিহীন নৌকার মত হয়ে পড়েছে। বিএনপিকে কে বা কারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে তৃণমূল বিএনপির মধ্যে।

এর আগে বিএনপির নাশকতার সব ষড়যন্ত্র শক্তহাতে দমন করেছে সরকার। বিএনপির সকল নাশকতা পরিকল্পনার বিষদাঁত ভেঙে দিয়েছে সরকার। তাই ষড়যন্ত্রের প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের সাহায্য চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তারা। লন্ডনে বসে একাধিক বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে নালিশ করে কোন প্রতিকার পাননি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের অপারগতার কথাও শুনতে হয়েছে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী তারেক রহমানকে।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশকে উন্নয়ন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বাংলাদেশ বলে উল্লেখ করে বিদেশি রাষ্ট্রগুলো তারেক রহমানের অনৈতিক দাবি ফিরিয়ে দিয়েছে।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, একাধিক রাষ্ট্রের সত্য কথায় গা জ্বালা নিয়ে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে সদা ষড়যন্ত্ররত হুহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের শরণাপন্ন হয়েছেন তারেক রহমান।

বাংলাদেশের সকল অর্জন নষ্ট করতে, তারেক রহমানের দেওয়া প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করতে এবং বাংলাদেশকে শায়েস্তা করতে ইতোমধ্যে মাঠে নামতে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে দেশটির কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।

জানা গেছে, প্রথম অবস্থায় ভারত সরকারকে দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে আলোচনা করবে ইসরাইল। আলোচনায় ব্যর্থ হলে সহিংস পথ বেছে নিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে তারা।

প্রয়োজন হলে জ্বালাও-পোড়াও করে, বোমাবাজী করে, খুন-হত্যা করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশকে অচল করে দেওয়ারও মোসাদের প্ল্যানে সই দিয়েছেন তারেক রহমান।

এই কাজের বিনিময়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ দিতে হবে তারেককে। পাশাপাশি বিশৃঙ্খলা মাধ্যমে বিএনপিকে জয়ী করে দেশ শাসনের দায়িত্ব নিয়ে দিতে পারলে বাংলাদেশ ইসরাইলকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিবে, অবাধে ইসরাইলকে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিতে হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান।

এছাড়াও ইসরাইলের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে হবে বাংলাদেশকে, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাহার করতে হবে এমন কঠিন শর্তও জুড়ে দিয়েছে দেশটি।

শুধুমাত্র ক্ষমতার স্বাদ পেতে ও দণ্ডিত একজন অপরাধীকে মুক্ত করার জন্য নিজ দেশ ও দেশের মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে সামান্যতম বিচলিত ও অনুতপ্ত নন তারেক রহমান।

ইসরাইলের দেওয়া সব শর্ত মেনে নিয়ে অতি দ্রুত খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য কাজ করার অনুরোধ করেছেন তারেক রহমান।

জানা গেছে, অশুভ মিশন কমপ্লিট করতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও দলিল ইসরাইলের হাতে তুলে দিয়েছেন তারেক রহমান।

পাশাপাশি ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট আইনজীবী লর্ড কারলাইলকে ভারতে পাঠিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে দেনদরবার করার জন্য নিয়োগ দিয়েছেন তারেক রহমান। এক কথায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন তিনি।




,