
রৌমারী প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একই জমিতে ৬টি ফসলের চাষ করা হয়েছে। এতে ঐ কৃষক অনেক লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
২৯ নভেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের চরলাঠিয়ালডাঙ্গা গ্রামের মো. মোনাহার আলী, মো.মজিবুর রহমান, মো. আব্দুর রশিদ, সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল হাশেম, বিকরিবিল গ্রামের মো. ফুল মিয়া, মো. নুরনবী, শিবিরডাঙ্গি গ্রামের মো.সাইদুর রহমান, মো. ফিরদ মিয়াসহ অনেকেই একেই জমিতে ৬টি ফসলের চাষ করেছেন। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে লালশাক, মুলা, বেগুন, লাউশাক,মরিচ ও আখ চাষ করা হয়েছে। প্রতিটি ফসলেই সমান তালে বেড়ে উঠছে। পাশাপাশি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন বাজারে বিক্রিও করছেন নিয়মিত। আখচাষটি দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ায় এসব জমিতে শাকসবজি চাষ করতে কোন সমস্যা হয় না। চাষকৃত আখ যখন লম্বা হয় তখন নিচু অংশটুকু ফাঁকা থাকে। তাই কৃষকরা উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে একই জমিতে ৬টি ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হয়েছেন এবং তা বাস্তবে প্রমান করেছেন।
সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল হাশেম ও মো. মোনহার আলী জানান, আমি ১বিঘা জমিতে ৬টি ফসলের চাষ করেছি। প্রতিদিন আমি এসব উৎপাদিত ফসল উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করে থাকি। উৎপাদিত ফসল অনেক বেশি হওয়ায় পাইকারি হিসেবে বিক্রয় করে দেই। বিভিন্ন শাকসবজি বিক্রি করার কিছু দিন পর আবারো আখ বিক্রি করতে পারব। এতে প্রতি মৌসুমে ১বিঘা জমিতে ৬০ থেকে ৮০হাজার টাকার শাকসবজি বিক্রি করা সম্ভব। অপর দিকে আখ বিক্রি করেও মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করা যাবে। এসব ফসল উৎপাদন করে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।
উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, একই জমিতে একাধীক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহীত করেছি এবং তারা যথা নিয়মে শাকসবজি চাষ করায় অনেক লাভবান হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শায়খল ইসলাম জানান, একই জমিতে একাধীক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। আশা করি আগামী মৌসুমে আরোও ব্যাপক হারে শাকসবজির চাষ হবে।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক
২৯ নভেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের চরলাঠিয়ালডাঙ্গা গ্রামের মো. মোনাহার আলী, মো.মজিবুর রহমান, মো. আব্দুর রশিদ, সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল হাশেম, বিকরিবিল গ্রামের মো. ফুল মিয়া, মো. নুরনবী, শিবিরডাঙ্গি গ্রামের মো.সাইদুর রহমান, মো. ফিরদ মিয়াসহ অনেকেই একেই জমিতে ৬টি ফসলের চাষ করেছেন। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে লালশাক, মুলা, বেগুন, লাউশাক,মরিচ ও আখ চাষ করা হয়েছে। প্রতিটি ফসলেই সমান তালে বেড়ে উঠছে। পাশাপাশি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন বাজারে বিক্রিও করছেন নিয়মিত। আখচাষটি দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ায় এসব জমিতে শাকসবজি চাষ করতে কোন সমস্যা হয় না। চাষকৃত আখ যখন লম্বা হয় তখন নিচু অংশটুকু ফাঁকা থাকে। তাই কৃষকরা উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে একই জমিতে ৬টি ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হয়েছেন এবং তা বাস্তবে প্রমান করেছেন।
সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল হাশেম ও মো. মোনহার আলী জানান, আমি ১বিঘা জমিতে ৬টি ফসলের চাষ করেছি। প্রতিদিন আমি এসব উৎপাদিত ফসল উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করে থাকি। উৎপাদিত ফসল অনেক বেশি হওয়ায় পাইকারি হিসেবে বিক্রয় করে দেই। বিভিন্ন শাকসবজি বিক্রি করার কিছু দিন পর আবারো আখ বিক্রি করতে পারব। এতে প্রতি মৌসুমে ১বিঘা জমিতে ৬০ থেকে ৮০হাজার টাকার শাকসবজি বিক্রি করা সম্ভব। অপর দিকে আখ বিক্রি করেও মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করা যাবে। এসব ফসল উৎপাদন করে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।
উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, একই জমিতে একাধীক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহীত করেছি এবং তারা যথা নিয়মে শাকসবজি চাষ করায় অনেক লাভবান হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শায়খল ইসলাম জানান, একই জমিতে একাধীক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। আশা করি আগামী মৌসুমে আরোও ব্যাপক হারে শাকসবজির চাষ হবে।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।