
শামীম তালুকদার: জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ইরি-বোরো ধানকাটা মৌসুমের শেষ প্রান্তিকে এসে কৃষি শ্রমিকের চাহিদার তীব্রতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
এবার আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় ও উপজেলাকৃষি অফিসের সার্বিক পরামর্শে উপজেলার সর্বত্র প্রত্যাশিত ফলন হওয়ায় কৃষক পরিবারে ধান মারাইয়ের উৎসব দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ধান মারাই প্রায় অর্ধেকের বেশি সমাপ্ত হয়েছে বলে জানা যায়।
ধান কাটা হতে গোলাজাত করণ পযন্ত আসতে এ পযায়ে শ্রমিকের চাহিদা ব্যপক হওয়ায় শ্রমিক মজুরীও অনেক বেশি হচ্ছে। এতে শ্রমিক শ্রেণী লাভবান হচ্ছে যা অর্থনীতির নতুন দিগন্ত। এ মুহূর্তে একজন শ্রমিক ৭৫০-৮০০ ধান মারাইয়ের কাজে যাচ্ছে।এমনকি অনেক শ্রমিক বাড়ি থেকে মটরসাইকেল,অটোরিক্সা ইত্যাদি বাহনে করে জমি মালিক ক্ষেত কাজে নিয়ে যাচ্ছে, এটা শ্রমিকের মজুরী বাড়ার সাথে সন্মানও বটে। এ শ্রমিকের দৈনিক দুই-তিনবেলা খাবারের সাথে পান,বিড়িও দিতে হয় এতে খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে,পক্ষান্তরে কৃষকের ফসল উৎপাদনে সরকারের সার, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষিবান্ধব পদক্ষেপের কারনে কৃষক উচ্চ ফলন উৎপাদনে সক্ষম হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়,তাদের সন্তুষ্টির কথা,সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা,তাছাড়া উচ্চ মজুরীর কারণে অনেক ব্যক্তিও মৌসুমী শ্রমিক হিসাবে কাজ করছে বলে তারা জানায়।ঝড়,শিলাবৃষ্টি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুযোর্ কের মধ্য দিয়ে জমি তৈরী,বীজ তলা তৈরী,চারারুপন,নিড়ানি,বালাইদমন ইত্যাদি মোকবেলা বেলা কৃষক বাম্পার ফলন উপহার দিচ্ছে।
চারা রুপনের সময়ও,নিড়ানির সময় ও ধান কাটার সময় শ্রমিক মজুরী থাকে উচ্চ বলে জানা যায়। অনেক শ্রমিক অটোরিক্সা,ভ্যান,সিএনজি ও গার্মেন্টস শ্রমিক হিসাবে যোগ দেওয়ায় কৃষি শ্রমিক সংকট দেখা যায় ,রোদ,বৃষ্টি ঝড় উপক্ষে্ করে কৃষিকাজ করতে অনেক শ্রমিকের অনিহায় পেশা বদল ঘটেছে। তাই প্রায় প্রতিবছর এ সময়ে শ্রমিক চাহিদা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়।
⇘সংবাদদাতা: শামীম তালুকদার

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।