বাঁশখালীতে শহিদ মিনারের চূড়া হলো, বঙ্গবন্ধু টুর্ণামেন্টের দর্শক গ্যালারী!

বাঁশখালীতে শহিদ মিনারের চূড়া হলো, বঙ্গবন্ধু টুর্ণামেন্টের দর্শক গ্যালারী!
শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনুর্ধ্ব-১৭) এর সেমিফাইনাল খেলা শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। এতে একই মাঠে সেমিফাইনাল খেলেন উপজেলার পৌরসভা একাদশ বনাম বাহারছড়া একাদশ ও চাম্বল একাদশ বনাম খানখানাবাদ একাদশ।

সেমিফাইনালে প্রথমার্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বাঁশখালীর দুটি শক্তিশালী টিম পৌরসভা একাদশ ও বাহারছড়া একাদশ। খেলার টানটান উর্ত্তেজনায় মাঠের চারপাশে দর্শকের ছিল উপছে পড়া ভীড়। স্কুলের করিডোর, কলেজের ছাঁদে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে দর্শক খেলা উপভোগ করলেও বাদ যায়নি শহিদ মিনারের বেদি থেকে চূড়া পর্যন্ত। সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁশখালীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদিতে জুতাসহ দর্শকের ভীড়, এমনকি শহিদ মিনারের চূড়ায় উঠে উপভোগ করছে ফুটবল খেলা।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে হাজারো ভাষাসৈনিক। তাঁদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারে জুতা পায়ে দর্শক খেলা উপভোগ করছে! অতচ তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর লক্ষে একুশে ফেব্রয়ারিকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে পালন করে বাঙালি জাতি। তাঁদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারে জুতা পায়ে দর্শকের খেলা উপভোগ করা যেন এক লজ্জার ব্যাপার এমনটি মন্তব্য করেছেন সুশীল সমাজের লোকজন।

বাঁশখালী মুক্তিযোদ্ধা সহকারী কমান্ডার দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক আহমদ ছফা বলেন, শহিদ বেদিতে জুতা পায়ে ও মিনানের চূড়ায় উঠে খেলা দেখা এটি আমাদের দেশ ও জাতির জন্য একটি লজ্জার ব্যাপার। যারা রক্তের বিনিময়ে আমাদের বাংলা ভাষা এনে দিয়েছে, তাঁদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারের চূড়ায় উঠে যারা এসকল কর্মকান্ড করেছে তা আসলেই দুঃখজনক। তিনি আরো বলেন, আগামীতে মাসিক উপজেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি আমি উত্থাপন করবো।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার বলেন, এ ধরনের কর্মকান্ড সঠিক হয়নি, বিষয়টি খুবই আপত্তিকর। অবশ্যই আগামী ফাইনাল খেলার আগেই আমি ব্যবস্থা নিবো যাতে এ ধরনের অাপত্তিকর কাজ করার সুযোগ না পায়।

 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please