মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ


সেবা ডেস্ক: গত মাসে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ চলাকালীন সময়েই জানানো হয়েছিল সেই টুর্নামেন্ট শেষে পাঁচটি দল নিয়ে আরেকটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ নামে নতুন এই টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার। বেক্সিমকো ঢাকা ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে প্রথম আসরের মহারণ। 

ঢাকা ও রাজশাহী ছাড়া আরো তিনটি দল বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে অংশগ্রহণ করছে। এগুলো হলো ফরচুন বরিশাল, জেমকন খুলনা ও গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। পাঁচ দলের এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ডিসেম্বর। প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর একদিন করে থাকবে বিরতি। 

টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। পুরো টুর্নামেন্ট সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টি-স্পোর্টস। 

দিনের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর দেড়টায়। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। তবে শুক্রবার দুটি ম্যাচই ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুইবার করে লড়বে। রাউন্ড রবিন লিগ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চার দল যাবে পরের রাউন্ডে।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর হয়েছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ইলেক্টনিক্স ও অটোমোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক নামকরণ হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ স্পন্সরড বাই ওয়াল্টন’। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে হাই-ভোল্টেজ এই টুর্নামেন্টটির আয়োজন করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিসিবির ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশও এই টুর্নামেন্টটি। গেল মার্চে করোনার কারনে দেশের ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবার পর দেশের ক্রিকেটকে পুনরায় শুরু করতেই বিসিবির এমন পরিকল্পনা। বিসিবি আশা করছে, বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে ফিরিয়ে আনতে মূখ্য ভূমিকা পালন করবে।

খেলোয়াড়, কর্মকর্তা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের নিরাপদ জোনে রাখার জন্য জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি দল এবং ৮০ জন ক্রিকেটারসহ প্রায় ৩০০ জন টুর্নামেন্টের শেষ অবধি জৈব-সুরক্ষা পরিবেশের মধ্যে থাকবেন। জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে এত বিপুল সংখ্যক লোককে পরিচালনা করা কঠিন কাজ, তবে বিসিবির লক্ষ্য, টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজন করে বিশ্বকে একটি বার্তা দেয়া।

এর আগে ৭০ জনকে জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে রেখে ওয়ানডে ফরম্যাটে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ আয়োজন করেছিলো বিসিবি। সাফল্যের সঙ্গে ঐ টুর্নামেন্ট শেষও করেছিলো তারা।

বিসিবির মিডিয়া ও কমিউনিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘টি-২০ টুর্নামেন্টটি বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফলো-আপ টুর্নামেন্ট। যেহেতু সামনে আমাদের অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ আছে। তাই এই টুর্নামেন্টটি পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে আমাদের সহায়তা করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশি দলগুলোকে জানাতে চাই, আমরা এখানে জৈব সুরক্ষা বলয় পরিবেশ নিশ্চিত করেছি। এই টুর্নামেন্ট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে সহায়ক হবে।’

এই টুর্নামেন্টটি বর্তমান পরিস্থিতিতে শীর্ষস্থানীয় এবং নতুন ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে খেলার সুযোগ করে দিবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছেন, নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য বড় একটি প্লাটফর্ম।

তিনি বিশ্বাস করেন, আসন্ন টুর্নামেন্টটি একই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও উপকৃত করবে। কারণ টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্যই আরো কিছু খেলোয়াড়কে খুঁজে পাবে, যারা জাতীয় দলে জায়গা পূরণ করার যোগ্য।

বিপিএলে বিদেশী খেলোয়াড়দের ছায়ায় থাকতে হয় স্থানীয় ক্রিকেটারদের। এতে স্পটলাইটে আসতে পারে না তারা। বেশিরভাগ সময় স্থানীয় খেলোয়াড়রা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে ব্যাটিং বা বোলিংয়ে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পায় না। এবার সবাই ভালো সুযোগ পাবে।

এ ব্যাপারে সুজন বলেন, প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য এই টুর্নামেন্টটি স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য একটি ভাল সুযোগ। খেলোয়াড়রা যেমন স্পটলাইটে যেতে সক্ষম হবে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটও এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে উপকৃত হবে। এছাড়া বিদেশী ক্রিকেটাররা না থাকায় বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবে তরুণ ক্রিকেটাররা।

তিনি আরো বলেন, তরুন ক্রিকেটারদের জন্য এটি খুবই ভালো সুযোগ। যখন বিপিএল শুরু হয়, বিদেশী খেলোয়াড়দের কারণে আমাদের তরুন বোলাররা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলিং করতে পারে না। ফলে ডেথ ওভারে আমরা ভালো বোলার খুঁজে বের করতে পারিনি। আমরা এই টুর্নামেন্ট থেকে কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার পেতে পারি। অনেক তরুণ ক্রিকেটারকে এই আসরে নিজেদের বিসিবির সামনে প্রমাণ করতে হবে।

সুজন মনে করেন, তরুণ খেলোয়াড়দের উন্নতিতে প্রতিযোগিতাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি যোগ করেন, নিজেদের প্রমানের ভালো সুযোগ পেয়েছে তরুণ ক্রিকেটাররা। তারা চার ও পাঁচ নম্বরের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যাট করবে এবং ম্যাচ শেষ করে আসতে হবে। এটি তাদের দক্ষতার পরীক্ষা। এই টুর্নামেন্ট থেকে তারা অনেক কিছুই শিখতে পারবে। তারা কিভাবে চাপকে নিতে পারবে, সেটিই এখন  দেখার বিষয়।

যে সকল প্রযুক্তি নিয়ে হবে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ

শুধু দেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে বেশ বড় পরিসরে আয়োজিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে থাকছে আধুনিক ক্রিকেটের প্রায় সকল প্রযুক্তির ছোঁয়া।
আম্পায়ারিং নিয়ে খেলোয়াড়দের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। আম্পায়ারদের অনেক ছোট ভুলও অনেক সময় ম্যাচে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। সেই ভুল সংশোধনের জন্যই ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএসের উৎপত্তি। বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপেও থাকবে ডিআরএসের ব্যবহার।

শুধু ডিআরএসই নয়, আরো কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া থাকছে এই টুর্নামেন্টে। করোনার কারণে মাঠে দর্শকদের প্রবেশাধিকার না থাকায় সবাইকে টিভি পর্দায় খেলা উপভোগ করতে হবে। তাদের খেলা দেখা উপভোগ্য করে তুলবে ড্রোনের ব্যবহার। 

অবশ্য ড্রোন থাকলেও স্পাইডার ক্যামেরার ব্যবহার থাকছে না। তবে উইকেটে ব্যবহার করা হবে এলইডি স্ট্যাম্প। ফলে বল উইকেটে আঘাত হানলেই জ্বলে উঠবে স্ট্যাম্পগুলো।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে রিয়েল ইমপ্যাক্ট প্রোডাকশনের দায়িত্ব পেয়েছে। অনেকটা বিপিএলের আদলে সর্বাধিক সংখ্যক ক্যমেরা দিয়ে সম্প্রচার কার্যক্রম চালাবে তারা। এসবের পাশাপাশি গ্রাফিক্স ও স্কোরকার্ডেও নতুনত্ব আনতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বেক্সিমকো ঢাকা ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ। প্রতিটি ম্যাচ ডেতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আসরের সবগুলো ম্যাচই আয়োজিত হবে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। পাঁচ দলের এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ১৮ ডিসেম্বর।

কোন দলে কারা

প্লেয়ার্স ড্রাফটের তালিকায় চারটি ক্যাটাগরিতে ছিলেন মোট ১৫৭ জন ক্রিকেটার। এ গ্রেডে আছেন ৫ জন, বি গ্রেডে ২১ জন, সি গ্রেডে ২৩ জন ও গ্রেডে ১০৮ জন করে ক্রিকেটার ছিলেন। এর মধ্য থেকে দল পেয়েছেন মোট ৮০ জন ক্রিকেটার। 

প্রথম রাউন্ডের লটারিতে শুরুতেই খেলোয়াড় ডাকার সুযোগ পায় বেক্সিমকো ঢাকা। প্রথম সুযোগে মুশফিকুর রহিমকে দলে নিয়েছে তারা। 

এরপরই দেশের সেরা তারকা সাকিব আল হাসানকে দলে নেয় জেমকন খুলনা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকেও দলে টেনেছে তারা। এছাড়া মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীতে খেলবেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তামিম ইকবালকে দলে টেনেছে ফরচুন বরিশাল। ড্রাফটের অন্যতম আকর্ষণ মোহাম্মদ আশরাফুলকে দলে নিয়েছে রাজশাহী। 

একনজরে দেখে নিন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড:

বেক্সিমকো ঢাকা: মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলি, ইয়াসির আলি, সাব্বির রহমান, মেহেদি হাসান রানা, মুক্তার আলি, আবু হায়দার রনি, শফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম রবি, পিনাক ঘোষ।  

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শেখ মেহেদি হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাজমুল হোসেন শান্ত, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, এবাদত হোসেন, ফজলে রাব্বি, রনি তালুকার, আনিসুল হক ঈমন, রেজাউর রহমান, রাকিবুল হাসান, জাকের আলি অনিক, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, সানজামুল ইসলাম। 

জেমকন খুলনা: সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইমরুল কায়েস, হাসান মাহমুদ, আল আমিন, এনামুল হক বিজয়, শামিম পাটুয়ারি, আরিফুল হক, শফিউল ইসলাম, শুভাগত হম, শহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, জাকির হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু, সালমান হোসেন, জহুরুল ইসলাম অমি। 
 
গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: মুস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, শরিফুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, তাইজুল ইসলাম, শামসুর রহমান শুভ, নাহিদুল ইসলাম, সৈকত আলি, মুমিনুল হক, রাকিবুল হাসান, সঞ্জিত সাহা, মাহমুদুল হাসান  জয়, মেহেদি হাসান। 

ফরচুন বরিশাল: তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, আবু জায়েদ রাহি, তৌহিদ হৃদয়, তানভির ইসলাম, সুমন খান, সাইফ হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ঈমন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আবু সায়েম, সোহরাওয়ার্দী শুভ। 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ চলাকালীন সময়েই জানানো হয়েছিল এই টুর্নামেন্ট শেষে পাঁচটি দল নিয়ে আরেকটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ নামে বতুন এই লিগের সূচি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের সূচি প্রকাশ করে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ নভেম্বর শুরু হবে পাঁচ দলের এই প্রতিযোগিতা। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ডিসেম্বর। প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর একদিন করে থাকবে বিরতি।

দিনের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর দেড়টায়। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। তবে শুক্রবার দুটি ম্যাচই ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুইবার করে লড়বে। রাউন্ড রবিন লিগ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চার দল যাবে পরের রাউন্ডে।

১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে ফাইনালের মহারণ। সেই ম্যাচ শেষেই জানা যাবে কারা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের চ্যাম্পিয়ন। তার আগে একনজরে দেখে নিন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি:
তারিখপ্রথম ম্যাচদ্বিতীয় ম্যাচ
২৪ নভেম্বরবেক্সিমকো ঢাকা-মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীফরচুন বরিশাল-জেমকন খুলনা
২৬ নভেম্বরজেমকন খুলনা-মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীগাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম-বেক্সিমকো ঢাকা
২৮ নভেম্বরজেমকন খুলনা-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামমিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী-ফরচুন বরিশাল
৩০ নভেম্বরফরচুন বরিশাল-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামবেক্সিমকো ঢাকা-জেমকন খুলনা
২ ডিসেম্বরফরচুন বরিশাল-বেক্সিমকো ঢাকামিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম
৪ ডিসেম্বরফরচুন বরিশাল-জেমকন খুলনাবেক্সিমকো ঢাকা-মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী
৬ ডিসেম্বরবেক্সিমকো ঢাকা-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামজেমকন খুলনা-মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী
৮ ডিসেম্বরমিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী-ফরচুন বরিশালজেমকন খুলনা-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম
১০ ডিসেম্বরবেক্সিমকো ঢাকা-জেমকন খুলনাফরচুন বরিশাল-গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম
১২ ডিসেম্বরগাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম-মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীফরচুন বরিশাল-বেক্সিমকো ঢাকা
১৪ ডিসেম্বরএলিমিনেটরকোয়ালিফায়ার-১
১৫ ডিসেম্বর-------------কোয়ালিফায়ার-২
১৮ ডিসেম্বর-------------ফাইনাল



.










শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।