ব্রীজের মুখ বন্ধ করায় ৪শ’ বিঘা ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংকা

ব্রীজের মুখ বন্ধ করায় ৪শ’ বিঘা ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংকা



উল্লাপাড়া প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার আগরপুর গ্রামে প্রতিহিংসা করে মাটি দিয়ে ব্রীজের মুখ বন্ধ করায় ৪’শ বিঘা ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংকা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্রীজের নিচ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেলে মাঠে জলাবদ্ধতার মাধ্যমে ফসলি জমি অনাবাদিতে পরিণত হবে। হুমকির মুখে পড়বে ফসলি জমি ও এলাকার শত শত কৃষক। জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুমি মালিকরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের  দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আকতার মল্লিক, আব্দুল হামিদ, আলতাব হোসেন ও আবু বকর অভিযোগ করে জানান, উপজেলার আগরপুর গ্রামের সড়কে স্থাপিত ব্রীজের মুখ দিয়ে বর্ষা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতো। শনিবার সকালে আগরপুর গ্রামের আবু বক্কার মাষ্টার নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তার দলবল ব্রীজের মুখটা বন্ধ করে দেয়। এতে গ্রামবাসি বাঁধা দিলে ব্রীজের নিচের ওই পথ দিয়ে পানি বের হতে দিবেন না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। পানি না গড়লে ফসলের মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে অনাবাদি হয়ে পড়বে জমিগুলো। এতে চরম ভোগান্তি ভোগ করবে মাঠের জমির মালিকেরা। 
এ ব্যাপারে আবু বক্কার মাষ্টারকে মুঠো ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, সলঙ্গা থানার আমশড়া নুনিয়ারপাড় নামক স্থানে আগরপুর গ্রামের প্রবেশ পথের পশ্চিম পাশের রাস্তায় গ্রামের কিছু লোক কার্লভাটের মুখ বন্ধ করায় সেখানে বর্ষাকালে জমে থাকা বৃষ্টির পানি বের হতে পারবে না। সে মাঠে তাদের অনেক জমি রয়েছে। জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়েছে। এতে তাদের ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাই তাদের ফসলি জমির মাঠের  ব্রীজের মুখ বন্ধ করেছি। ওরা খুলে দিলে আমরাও  ব্রীজের মুখ খুলে দেবো।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে উল্লাপাড়ার সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান জানান, ব্যক্তিগত কাজে ব্রীজের মুখ বন্ধ করে পানি চলাচলে বাঁধা দিতে পারে না কেউ। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
 

শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।