SebaBanner

আজ*

হোম
প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে বৃটেন ও ইউরোপের আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা তারেক জিয়ার

প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে বৃটেন ও ইউরোপের আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা তারেক জিয়ার

সেবা ডেস্ক: লন্ডনে অবস্থানরত অনেক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া ঠেকাতে বৃটেন ও ইউরোপের আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রত্যাবর্তন চুক্তি সফল হয় তবে আদালতে গিয়েও তারেক প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে পারবেন না।

এদিকে তারেক রহমান প্রথম থেকেই লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকলেও জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী তারেক রহমানের আশ্রয় মেয়াদ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তৎপরতা শুরু করেছে এবং প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারেক রহমান লন্ডনে কোন প্রক্রিয়ায় অবস্থান করছেন তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে লন্ডনের হোয়াট চ্যাপেল (White chapel)-এর একজন সলিসিটর মাহতাব আহমেদ জানান, ‘তারেক রহমান লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। ইতোমধ্যেই তার আশ্রয়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তারপরে তিনি এখন যেভাবে আছেন তাতে একটিমাত্র প্রক্রিয়ায় থাকা সম্ভব- আর সেটি হলো ‘ইনডিফিনিট লিভ টু রিমেইন। এর মানে হলো তিনি স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করতে পারবেন। চাইলে বৃটেনের নাগরিত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।’ সলিসিটর মাহতাব আহমেদ ধারণা করে বলেন, তারেক রহমান নাগরিকত্ব গ্রহণ না করে ইনডেফিনিট লিভের রেসিডেন্স কার্ডধারী হিসেবে লন্ডনে বসবাস করছেন।

তারেক রহমানের এক ঘনিষ্টজনের বরাতে বৃটেন ও ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে যাওয়ার তথ্য দিয়ে সলিসিটর মাহতাব আহমেদ বলেন, তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে যে প্রত্যাবর্তন চুক্তির কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার, তা ঠেকাতে বৃটেন ও ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে যাওয়ার একটা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তারেক রহমান।

প্রসঙ্গত, তারেক রহমান ২০০৮ সালে ভ্রমণ ভিসায় চিকিৎসার জন্য ব্রিটেন যাওয়ার পর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি লন্ডনে আছেন। দেশে ১৭ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানকে ফেরাতে বাংলাদেশ সরকার বৃটেনের প্রত্যাবর্তন আইন অনুযায়ী চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো চুক্তি বাংলাদেশ-বৃটেনের মধ্যে নেই। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলাসহ সাতটি মামলা চলমান রয়েছে। এ ছাড়া দুটি মামলায় ৭ বছর ও অন্যটিতে ১০ বছরের সাজা হয়েছে|

আসামি প্রত্যাবর্তন বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক আইনি সহযোগিতা চুক্তি করার কথা বিবেচনা করছে বাংলাদেশ। এর বিপরীতে তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে গিয়ে এটি মোকাবেলা করতে পারেন বলেও বৃটেনের অভিবাসন বিষয়ে অভিজ্ঞ সলিসিটররা মনে করছেন।


, , ,