রাঘব বোয়াল মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দুদক
রাঘব বোয়াল মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দুদক

রাঘব বোয়াল মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দুদক

সেবা ডেস্ক: প্রশাসনের মাদক বিরোধী অভিযানে অনেকেরই অভিযোগ ছিল মাদকের রাঘব বোয়ালদের ধরা হচ্ছেনা কেন? কেন বা কি কারণে মাদকের মুল হোতাদের দিয়ে অভিযান শুরু করা হয়নি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তার পেছনে হয়তো কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল যা সাধারণ জনগণের বোঝা সম্ভব হয়নি। কেননা দুর্নীতি দমন কমিশন কোটিপতি মাদক ব্যবসায়ী ব্যাক্তিদের ওপর চড়াও হলে তেমন ধারণাই পাওয়া যায়।

অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া ১৪১ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর দুদককে দিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তৈরি করা রাজধানীর শীর্ষ ৮২ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা দুদক সংগ্রহ করেছে। একাধিক উৎস থেকে আরো ১১০জন মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা পেয়েছে দুদক। এর বাইরে দুদকের কাছে সরাসরি কয়েকজন কোটিপতি মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। দুদকের নিজস্ব তদন্ত শাখাও তথ্য সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিক যাচাই বাছাই শেষে সারাদেশের কোটিপতি প্রায় সাড়ে তিনশ’ মাদক ব্যবসায়ীর একটি খসড়া তালিকা করেছে দুদক।

শিগগিরই এসব কোটিপতি মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ করবে দুদক। তাদের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ‘শিগগির’ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

এ তালিকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সহায়তা করে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া দুদকের এ তালিকায় কক্সবাজার ও খুলনা এলাকার দুইজন সংসদ সদস্যের নাম রয়েছে। এর বাইরেও দুদকের তালিকায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কয়েকজন রাজনীতিবিদের নামসহ বড় বড় ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। দুদকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকা এধরনের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিককে দুদক সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে। মাদকের ভয়াবহতা হতে দেশকে রক্ষা করতে প্রয়োজন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত সকলকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। আর দুদকের এ কর্মকান্ডের মাধ্যমে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, মাদককে চিরতরে নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ সরকার।


, ,