SebaBanner

হোম
বেগম জিয়ার চিকিৎসার খরচ বহনের ঘোষণায় চিন্তিত দলের নেতারা

বেগম জিয়ার চিকিৎসার খরচ বহনের ঘোষণায় চিন্তিত দলের নেতারা


সেবা ডেস্ক: ঢাকার গুলশানে অবস্থিত আলিশান ইউনাইটেড হাসপাতালে গেম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা খরচ বহনের দায়িত্ব নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দর বলেছেন, প্রয়োজনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ভার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিই নেবে। আর্থিক অচলাবস্থায় দলের পক্ষ হতে এমন অপ্রত্যাশিত বক্তব্যে হতাশ দলের সিনিয়র নেতারা। তারা বলছেন, বক্তব্যটি অনভিপ্রেত। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে সম্ভব না। চিকিৎসার নামে শুধু চাঁদাবাজি হবে। খালি হবে নেতা-কর্মীদের পকেট।

জানা গেছে, তারেক জিয়ার নির্দেশেই ‘ছায়া নির্দেশদাতা’ হয়ে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দর এমন বক্তব্য দিয়েছেন। সূত্র বলছে, দলীয় নেতাদের কাছে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বাবদ চাঁদা তুলতেই তারেক রহমানের নির্দেশে এমন বক্তব্য দিয়েছেন শামীম ইস্কান্দর। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, শামীম ইস্কান্দর তারেক রহমানের মামা। শামীম ইস্কান্দর তারেক রহমানের জবানে কথা বলছেন। শামীম সাহেবের মাধ্যমে তারেক রহমান নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এতে বিএনপি নেতাদের চাঁদা সংগ্রহের ব্যাপারে বার্তা দিতে তারেক রহমানের সুবিধা হবে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায় কমিটির এক সদস্য বলেন, তারেক রহমানের দোষ দিতে গেলে তা নিজেদের ঘাড়েই পড়ে। নিজের গায়ে নিজেই থুথু দেওয়ার মতো অবস্থা। বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তারেক রহমান দলীয় নেতাদের কাছে অর্থ দাবি করেন। জানতে পেরেছি, ম্যাডামের চিকিৎসার কথা বলে চাঁদা সংগ্রহের বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। আমরা নিরূপায়। কিছুই বলতে পারছি না। ম্যাডাম এখন সরকারি সম্পত্তি। ম্যাডামের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারের। খামখা আগ বাড়িয়ে আমরা তার চিকিৎসার দায়িত্ব কেন নিব? ম্যাডামের চিকিৎসায় অনেক খরচ হবে। এত টাকা আমরা কোথায় পাব? তারেক রহমান সব বিষয়ে বাড়াবাড়ি করেন। তার বাড়াবাড়িতে ম্যাডাম আর দলের আজ এই মরণদশা।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে নতুন আইনজীবী হিসেবে যুক্তরাজ্যের লর্ড সভার সদস্য ও আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে নিয়োগ দেয়ার কথা বলেও অর্থ চেয়ে তারেক রহমান দলের শীর্ষ নেতাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তা করেও ছেড়েছেন।

এছাড়া সম্প্রতি ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার কথাও গণমাধ্যমে এসেছে। এ অবস্থায় দলের নেতাকর্মীদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে যে, তারেক রহমান বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে কী দলের ঊর্ধ্বে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছেন?




,

Home-About Us-Contact Us-Sitemap-Privacy Policy-Google Search