বাঁশখালীতে ঘূর্ণিবাতাসে ৮ বসতঘর লন্ডভন্ড, ক্ষয়ক্ষতি ১০ লক্ষাধিক
বাঁশখালীতে ঘূর্ণিবাতাসে ৮ বসতঘর লন্ডভন্ড, ক্ষয়ক্ষতি ১০ লক্ষাধিক

বাঁশখালীতে ঘূর্ণিবাতাসে ৮ বসতঘর লন্ডভন্ড, ক্ষয়ক্ষতি ১০ লক্ষাধিক

শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের দক্ষিণ চাম্বল সোনারখীল গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিবাতাসের আক্রমনে ৭টি বসতঘর ও ১টি মুদির দোকানের চালা সম্পূর্ণ লন্ডভন্ড হয়ে উড়ে যায়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্থদের অনেকেই অসহায় মানুষ ও দিন মজুর। আজ ১৪ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে হঠাৎ করে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিবাতাসে এ ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের পরিবার, জপির আহমদ, মীর কাসেম, মো. বাবুল, মো. আমান হোছেন, মো. আবুল খায়ের, খুরশিদা বেগমেরর বসতঘর ও নুর কাদের এর মুদির দোকান।

ঘূর্ণিবাতাসের ফলে মাটির ঘর ধসে যায়, টিনের চালা উড়ে গিয়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বসতঘর গুলো। এতে আয়েশা খাতুন নামে বয়স্ক এক মহিলাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁশখালী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ১০ লক্ষাধিক ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান চাম্বল ইউপির ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সদস্যা মোছাম্মৎ রাবেয়া বেগম। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিবাতাসে ৭টি বসতঘর ও ১টি দোকানের চালা সম্পূর্ণ উড়ে যায় এবং অন্তত আরো ২০টির মতো বসতঘরে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এ দিকে ঘটনার খবর পেয়ে দুপুর ১২টায় বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ক্ষতিগ্রস্থদের অনেকেই বসতঘরের চালা উড়ে যাওয়ায় এখন খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ওই গ্রামের হতদরিদ্র পরিবার গুলোর মাথা গুজাবার একমাত্র বসতঘর হারিয়ে আত্মচিৎকারে ফেটে পড়ে। তারা এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।


, , ,