দেশের কৃষিখাতে এখন অভাবনীয় সাফল্য
দেশের কৃষিখাতে এখন অভাবনীয় সাফল্য

দেশের কৃষিখাতে এখন অভাবনীয় সাফল্য

সেবা ডেস্ক: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের যত অর্জন আছে, তার মধ্যে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি সবচেয়ে উল্লেখ করার মতো। এটা বিশ্বের যে কোনো উন্নয়নশীল দেশের জন্য উদাহরণ। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেসব সাফল্য অর্জন করেছে তা দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশই সাফল্যগুলো অর্জন করতে পারেনি। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাণিজ্যিক কৃষি উন্নয়ন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং উন্নয়নসহ কৃষির আধুনিকতাকরণ, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে গবেষণা সুবিধা বৃদ্ধিসহ নানা পদক্ষেপ নেয়ার ফলে কৃষিখাতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে চলেছে বাংলাদেশ।

খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের মাধ্যমে ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে ২৫ শতাংশ কম মূল্যে ৩৫টি জেলায় ৩৮ হাজার ৩২৪টি বিভিন্ন প্রকার কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। তাছাড়া বিএআরআই এবং বিআরআরআই কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃষি যন্ত্রপাতি মোট মূল্যের ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের নিকট সরবরাহ করে হচ্ছে। কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাস করার জন্য বিদ্যুতের রিবেট প্রদান করা এবং বীজ, সারসহ ইক্ষু চাষিদের সহায়তা ভর্তুকি বছর বছর বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের ১০টি কৃষি অঞ্চলে ২৪৫টি কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা ফসল উৎপাদন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণ করতে পারছেন। ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করে ভূ-অভ্যন্তরস্থ পানি উত্তোলন হ্রাস করার লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রনালয় ক্ষুদ্র সেচ কার্যক্রম জোরদার করেছে। ড্যাম, পাহাড়ে ঝিরি বাঁধ, রাবার ড্যাম ইত্যাদি নির্মাণ করা হয়েছে।

অঞ্চলভিত্তিক ১৭টি সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দেশে মাটির উর্বরতা অনুযায়ী অনলাইন সুষম সার সুপারিশ করার জন্য ২০০টি উপজেলায় ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তাছাড়া দেশে এওঝ ভিত্তিক মডেলিংয়ের মাধ্যমে ১৭টি শস্য উপযোগিতা বিষয়ক ম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি অঞ্চলভিত্তিক শস্য উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করবে।

কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছা ও নিরলস কার্যক্রমের ফলে এককালের খাদ্যঘাটতির বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে বিদেশেও রপ্তানি করছে।



, , ,