
জামালপুর প্রতিনিধি ॥ জামালপুর জেলা সদরে আর কোন সিনেমা হলে রইলো না। ‘কথাকলি’, ‘নিরালা’, ‘সুরভী’র পর এবার বন্ধ হয়ে গেলো একমাত্র সিনেমা হল ‘মনোয়ারা’। এমন খবরের ভিত্তিতেই খোলা কাগজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় মনোয়ার সিনেমা হলের ভাড়াটিয়া পরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের সঙ্গে। তিনি দিলেন ইতিবাচক খবর। তবে একেবারে বন্ধ হয়নি হলটি। আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। নির্বাচনের পরই আবার চালু হবে মনোয়ারা সিনেমার হল।
মনোয়ার সিনেমা হলটির মালিক লেবু মল্লিক। যিনি ৮ বছর আগে মারা যান। মালিকের মৃত্যুর পর স্ত্রী বিউটি বেগমের কাছেই দায়িত্ব আসে মনোয়ারার। তিনি তার দুই ভাই আলমগীর ও জাহাঙ্গীরকে চালাতে দেন। বিগত দুই বছর ধরে জাহাঙ্গীর ও আলমগীরই হলটি ভাড়া চালাচ্ছেন বলে জানান লেবু মল্লিকের স্ত্রী বিউটি বেগম।
হল বন্ধ করে দেয়া প্রসঙ্গে মো. আলমগীর হোসেন খোলা কাগজকে বলেন, চলচ্চিত্রের ব্যবসা নেই। বিগত কয়েক বছর ধরেই ক্রমাগত লস দিয়ে যাচ্ছি। ভালো কোন চলচ্চিত্রও বাংলাদেশে নির্মাণ হচ্ছে না। কিছুদিন যৌথ প্রযোজনার সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। তখন কিছু চলচ্চিত্রে পেয়েছি এখন আবার চলচ্চিত্র সংকট। এতো লস দিয়ে তো আর ব্যবসা চালাতে পারিনা। তাই মনোয়ার হল বন্ধ করে দিতে চাইছিলাম। ভেবেছিলাম অ্যাপার্টমেন্ট করে ভাড়া দেবো। কিন্তু হল বন্ধের ঘোষণায় চারদিক থেকে ফোন আসা শুরু হয়েছে। বিনোদনের মাধ্যমটি বন্ধ হোক এটা চাইছেন না অনেকেই। এখানকার টিএনও সাহেবও ফোন দিয়ে বন্ধ না করার কথা বলেছেন। তাই নির্বাচনের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত মনোয়ারা বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের পর আবার চালু করবো মনোয়ারা সিনেমা হল।
আপনার দুই ভাইয়ের মধ্যে কোন্দলের কারণেই নাকী বন্ধ করে দিয়েছেন হলটি? এমন প্রশ্নের উত্তরে আলমগীর বলেন, তেমন কিছুই নয়। চলচ্চিত্রে কোন ব্যবসা নেই। দর্শকরা হল বিমুখ বলেই বন্ধ হয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক সপ্তায় সপ্তায় তো হলের মেশিন ভাড়া ঠিকই দিতে হয়। আর কত লস দেবো। তাই সিন্ধান্ত নিয়েছি।’
নির্বাচনের পরে হলটি আবার চালু করলে ব্যবসা করতে পারবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন,‘ নতুনভাবে ভাবতে চাচ্ছি। বিল্ডিংটা ভাঙ্গতেও পারি। ভেঙ্গে অ্যাপার্টমেন্ট করবো। পাশাপাশি সিনেমা হলটিও থাকবে। মনে হচ্ছে এটা করাই বুদ্ধি মানের কাজ হবে।’
গত দেড় বছর ধরে হলটির বুকিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন বুকিং এজেন্ট মো. শাহজাহান। মনোয়ারে ছবি প্রদর্শন নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। খোলা কাগজকে সিনেমা হলটি আপাতত বন্ধের কথা জানিয়েছেন তিনিও। তিনি বলেন, মনোয়ার চূড়ান্তভাবে বন্ধ হচ্ছে না। নির্বাচনের পর আবার চালু হবে।’ পাশাপাশি দুই ভাইয়ের মধ্যে কিছুটা হলের ভাড়া নিয়ে কিছুটা কোন্দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, ২ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে মনোয়ার সিনেমা হল। কলকাতা থেকে আমদানি করা ছবি ‘ভিলেন’ সর্বশেষ প্রদর্শন করা হচ্ছিল হলটিতে। দুদিন চালানোর পরেই হলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর আগে ২০১৪ সালের দিকে মনোয়ার সিনেমা হল বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যৌথ প্রযোজনার ছবি ও জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে নির্মিত ছবিগুলো প্রদর্শনের পর হলটি ঘুরে দাঁড়ায়। দর্শক হলে আসা শুরু করে। পরবর্তীতে মনোয়ার সিনেমা হলে জাজের মেশিন বসানো হয়। এখন যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে বলেই সিনেমা সংকটে ভোগছে মনোয়ারা সিনেরমার হলটি।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক
মনোয়ার সিনেমা হলটির মালিক লেবু মল্লিক। যিনি ৮ বছর আগে মারা যান। মালিকের মৃত্যুর পর স্ত্রী বিউটি বেগমের কাছেই দায়িত্ব আসে মনোয়ারার। তিনি তার দুই ভাই আলমগীর ও জাহাঙ্গীরকে চালাতে দেন। বিগত দুই বছর ধরে জাহাঙ্গীর ও আলমগীরই হলটি ভাড়া চালাচ্ছেন বলে জানান লেবু মল্লিকের স্ত্রী বিউটি বেগম।
হল বন্ধ করে দেয়া প্রসঙ্গে মো. আলমগীর হোসেন খোলা কাগজকে বলেন, চলচ্চিত্রের ব্যবসা নেই। বিগত কয়েক বছর ধরেই ক্রমাগত লস দিয়ে যাচ্ছি। ভালো কোন চলচ্চিত্রও বাংলাদেশে নির্মাণ হচ্ছে না। কিছুদিন যৌথ প্রযোজনার সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। তখন কিছু চলচ্চিত্রে পেয়েছি এখন আবার চলচ্চিত্র সংকট। এতো লস দিয়ে তো আর ব্যবসা চালাতে পারিনা। তাই মনোয়ার হল বন্ধ করে দিতে চাইছিলাম। ভেবেছিলাম অ্যাপার্টমেন্ট করে ভাড়া দেবো। কিন্তু হল বন্ধের ঘোষণায় চারদিক থেকে ফোন আসা শুরু হয়েছে। বিনোদনের মাধ্যমটি বন্ধ হোক এটা চাইছেন না অনেকেই। এখানকার টিএনও সাহেবও ফোন দিয়ে বন্ধ না করার কথা বলেছেন। তাই নির্বাচনের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত মনোয়ারা বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের পর আবার চালু করবো মনোয়ারা সিনেমা হল।
আপনার দুই ভাইয়ের মধ্যে কোন্দলের কারণেই নাকী বন্ধ করে দিয়েছেন হলটি? এমন প্রশ্নের উত্তরে আলমগীর বলেন, তেমন কিছুই নয়। চলচ্চিত্রে কোন ব্যবসা নেই। দর্শকরা হল বিমুখ বলেই বন্ধ হয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক সপ্তায় সপ্তায় তো হলের মেশিন ভাড়া ঠিকই দিতে হয়। আর কত লস দেবো। তাই সিন্ধান্ত নিয়েছি।’
নির্বাচনের পরে হলটি আবার চালু করলে ব্যবসা করতে পারবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন,‘ নতুনভাবে ভাবতে চাচ্ছি। বিল্ডিংটা ভাঙ্গতেও পারি। ভেঙ্গে অ্যাপার্টমেন্ট করবো। পাশাপাশি সিনেমা হলটিও থাকবে। মনে হচ্ছে এটা করাই বুদ্ধি মানের কাজ হবে।’
গত দেড় বছর ধরে হলটির বুকিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন বুকিং এজেন্ট মো. শাহজাহান। মনোয়ারে ছবি প্রদর্শন নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। খোলা কাগজকে সিনেমা হলটি আপাতত বন্ধের কথা জানিয়েছেন তিনিও। তিনি বলেন, মনোয়ার চূড়ান্তভাবে বন্ধ হচ্ছে না। নির্বাচনের পর আবার চালু হবে।’ পাশাপাশি দুই ভাইয়ের মধ্যে কিছুটা হলের ভাড়া নিয়ে কিছুটা কোন্দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, ২ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে মনোয়ার সিনেমা হল। কলকাতা থেকে আমদানি করা ছবি ‘ভিলেন’ সর্বশেষ প্রদর্শন করা হচ্ছিল হলটিতে। দুদিন চালানোর পরেই হলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর আগে ২০১৪ সালের দিকে মনোয়ার সিনেমা হল বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যৌথ প্রযোজনার ছবি ও জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে নির্মিত ছবিগুলো প্রদর্শনের পর হলটি ঘুরে দাঁড়ায়। দর্শক হলে আসা শুরু করে। পরবর্তীতে মনোয়ার সিনেমা হলে জাজের মেশিন বসানো হয়। এখন যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে বলেই সিনেমা সংকটে ভোগছে মনোয়ারা সিনেরমার হলটি।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।