পাঁচজন প্রার্থী পূর্বের নির্ধারিত প্রতীকেই বহাল

পাঁচজন প্রার্থী পূর্বের নির্ধারিত প্রতীকেই বহাল
শাহাদাত হোসেন মিশুক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্হগিত হওয়া পুন তফশিল ঘোষনায় আগামী ২৭ জানুয়ারি গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুল মতিন নির্বাচনে অংশ নেয়া পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বরাদ্দকৃত প্রতীকের নাম ঘোষণা করেন।

প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মহাজোট সমর্থিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মো. ইউনুস আলী সরকারকে নৌকা প্রতীক, জাতীয় পার্টির (জাপা) দিলারা খন্দকারকে লাঙ্গল প্রতীক, জাসদের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদিকে মশাল প্রতীক, এনপিপির মিজানুর রহমান তিতুকে আম প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদকে সিংহকে প্রতীক।

এসময় সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়ছারুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানসহ প্রার্থীর সমর্থকরা।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশীল অনুুযায়ী ১০ ডিসেম্বর এই আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর ১৯ ডিসেম্বর অসুস্থতাজনিত কারণে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টি আই এম ফজলে রাব্বির মৃত্যু হলে ২০ ডিসেম্বর এই আসনের নির্বাচনের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পরে ২৩ ডিসেম্বর পুনঃতফশিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন। পরে ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীসহ চারজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরদিন ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বিভিন্ন ত্রুটি থাকায় তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরপর ১০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিন জন প্রত্যাহার করেন। তারা হলেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাদেকুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হানিফ দেওয়ান।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুল মতিন বলেন, আগামী ২৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। পূর্বেই তাদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া ছিল। প্রার্থীদের আপত্তি না থাকায় শুক্রবার পূর্ব নির্ধারিত প্রতীকই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ শেষ এখন প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
⇘সংবাদদাতা: শাহাদাত হোসেন মিশুক

,

0 comments

Comments Please