বেলকুচিতে ভাতিজার শান্তিরক্ষা মামলা করায়, চাচার দ্রুতবিচার আইনে মামলা

বেলকুচিতে ভাতিজার শান্তিরক্ষা মামলা করায়, চাচার দ্রুতবিচার আইনে মামলা
জহুরুল ইসলাম, বেলকুচি প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ভাতিজা ও প্রতিবেশির শান্তিরক্ষা মামলা করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আপন চাচা আব্দুল হাই দ্রুতবিচার আইনে মামলা করেছে। ঘটনাটি বেলকুচি উপজেলার বড়ধূল ইউনিয়ন চর বেলকুচি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মিথ্যা মামলা ও প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাইয়ের অপসারণ চেয়ে দিঘুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এলাকাবাসী অবস্থান করে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ব্যাক্তিগত কোন্দলের কারনে উভয়ে উভয়ের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা বসত মামলা করেছে।

আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, গত ২৬/১১/১৮ইং তারিখে সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট "ক" অঞ্চলে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে ১০৭ ধারায় তার আপন চাচা দিঘুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মমলা করে।

একই আইনে ঐ আদালতে ২৯/১১/১৮ইং তারিখে প্রতিবেশী আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ওসমান গুনি বাদী হয়ে আব্দুল হাই কে প্রধান আসামী করে আরও ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩/১২/১৮ইং তারিখে সিরাজগঞ্জ আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাঁদাবাজী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও দেশনেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর উল্লেখ করে আব্দুল হাই বাদী হয়ে উপরক্তি মামলা ২টির বাদীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী স্থানীয় জনগন দিঘুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাইয়ের অপসারন ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে অবস্থান করে স্কুলটিকে ঘিরে রাখে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও বাবলু সুষ্ঠ মিমাংশা দেওয়ার আসস্থ করে উপস্থিত জনতাকে বিদায় করেন।

উক্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত জনপ্রতিনিধি, আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, বিদ্যালয়ের ছাত্ররা সহ অনেকেই জানায়, অত্র বিদ্যালয়ে কোনরুপ ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। তবে ইতিপূর্বে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২টি শান্তি রক্ষার মামলা হয়। এরই জের তিনি দ্রুত বিচার আইনে মামলা করতে পারেন।

বড়ধূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছের উদ্দিন জানান, উক্ত বিদ্যালয়ে কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। লোক মুখে জানতে পেরেছি, চাচা ভাতিজার পারিবারিক বিরোধের কারনে উভয় উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমরা স্থানীয় প্রতিনিধিদের সহযোগীতায় এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। তবে শিক্ষক হয়ে তার দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা উচিচ হয়নি।
⇘সংবাদদাতা: জহুরুল ইসলাম

,

0 comments

Comments Please