সেবা হট নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত : বিদ্যুৎ সংযোগের নামে টাকা

সেবা হট নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত  বিদ্যুৎ সংযোগের নামে টাকা


শফিকুল ইসলাম: বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ৬৫ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সত্যতা মিলেছে। 

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে এর সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। 

এ নিয়ে সেবা হট নিউজে সংবাদ প্রকাশ হলে তরিঘড়ি করে পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস থেকে ওই গ্রাহকের মাঝে মিটার লাগানো হয়েছে। 

তবে এই সুযোগে প্রতারক চক্রটি গ্রাহকের কাছ থেকে সুকৌশলে গোপনে স্বাক্ষর নিয়ে মিমাংসার পায়তারা করছে বলেও অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী ও পল্লী বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট অফিস সুত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাগুয়ার চর গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে খেদাইমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক মাস্টার, কাশেম আলীর ছেলে আনিসুর রহমান ওরফে ফজর, রমজান সরকারের ছেলে আব্দুল মজিদ, দিলদারের ছেলে রাশেদুল, সুরুজ্জামালের ছেলে আব্দুল অদুত ভুইয়া, আব্দুল গফুর দেওয়ানীর ছেলে শুকুর আলীসহ কয়েকজনের একটি প্রতারক চক্র পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে রৌমারী এরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের খরচ বাবদ গ্রামের গরীব ও  অসহায় মানুষদের কাছ থেকে মিটার প্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়। এ নিয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহক ও দালালদের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে একাধীকবার শালিসি বৈঠক বসলেও কোন সমাধান হয়নি। একই ভাবে বিদ্যুৎ অফিসের অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারির যোগসাজসে উপজেলার বাগুয়ার চর গ্রামে বিদ্যুতের খুটি, তার, বোর্ড ও মিটার দেওয়ার নামে পর্যায়ক্রমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় দালাল চক্রটি। এ নিয়ে প্রতারনার শিকার ৬৫ জন গ্রাহক পলীø বিদ্যুৎ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। 

বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান ও যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাদী বিবাদীদের মধ্যে মিমাংসা করে দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ রৌমারী সহকারী ম্যানেজার (এজিএম) আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে কয়েজনের প্রতারক চক্র গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা উত্তোলনের বিষয়ে সত্যতা পেয়েছি। তদন্ত চলমান আছে, আবু বক্কর সিদ্দিক মাস্টার ও আনিসুর রহমান ওরফে ফজর আলী গ্রামবাসীর কাছে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে মৌখিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছে, লিখিত চেয়েছিলাম তারা দুই দিনের সময় চেয়েছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ রৌমারী জোনাল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ শামীম খাঁন বলেন, ২/১ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাবো এবং প্রত্যারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
   



শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।