“প্রতিশোধ নিতে রাজাকারের বংশধররা শেখ হাসিনাকে করতে চায়”

প্রতিশোধ নিতে রাজাকারের বংশধররা শেখ হাসিনা করতে চায় এম. এ মান্নান



বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ. মান্নান বলেছেন, আমাদের লক্ষ লক্ষ সন্তান যারা আজকের প্রজন্ম তারা আমাদের বীর সৈনিক। কিন্তু অনেক কুলাঙ্গার স্বাধীনতার শত্রু রাজাকারের বংশধররা এখনো তারা প্রতিশোধ মিটাতে চায়, তারা শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চায়।

বর্তমানে দেশের গরীব ও গ্রামের মানুষের যে উন্নয়ন হচ্ছে, শেখ হাসিনাকে হত্যা করলে সেটা আর হবে না, লাভ হবে ওই শত্রæদের। 

শুক্রবার বিকেলে জামালপুরে মির্জা আজম মিলনায়তনে আয়োজিত “টেকসই গ্রীন হাউজ প্রযুক্তি ব্যবহার ও উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে করোনা অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রশমন” প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

জামালপুরের জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এমপি, সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়ের সিএসপিবি প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো: সাইফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ প্রমুখ। 

এ সময় তারা ব্যানারে বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 

ব্যানারে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি নাই আমি এখানে কথা বলতে পারি না। 

আমরা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর না, খন্দকার মোশতাক খুনি জিয়াউর রহমান না, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। 

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছাড়া আমারা আর কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হব না। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি বক্তব্য দিতে চাইনা, ব্যানারে ছবি না থাকা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও দু:খজনক। 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই শোকের মাসে সরকারি একটি দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠান চলছে, অথচ এই অনুষ্ঠানের ব্যানারে জাতির পিতা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নেই। 

এটা অনিচ্ছাকৃত কোন ভুল নয়, যারা বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারন করেনা, এ ধরনের কাজ তাদের দ্বারাই সম্ভব। 

আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় দু বছর ধরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে প্রকল্প চলছে, অথচ জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি নিজেই এই প্রকল্প বিষয়ে জানিনা। 

এই প্রকল্পের কাজ কতটা স্বচ্ছভাবে হচ্ছে সেই বিষয়েও খোঁজ নিতে হবে।

  


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।