বকশীগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার গাফলতিতে বকেয়া বেতন পায়নি ১৫৭ শিক্ষক!

বকশীগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার গাফলতিতে বকেয়া বেতন পায়নি ১৫৭ শিক্ষক!



 : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রসিদা বেগমের গাফলতির কারণে ১৩তম গ্রেডের ১৫৭ জন শিক্ষকের বকেয়া বেতন উত্তোলন করা সম্ভব হয় নি। ফলে ১৫৭ জন শিক্ষকের বকেয়া বেতন ফেরত গিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তরে। একারণে শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে হতে ১৪তম গ্রেড থেকে উন্নীত হয়ে ১৩তম গ্রেড প্রাপ্ত হয় ৩২০ শিক্ষক । ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থ হতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এর আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের ১৩তম গ্রেডের শিক্ষকদের নামে বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হয়।

১৩তম গ্রেডের সকল শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গত ২৬ মে ২০২২ তারিখে ৩৮.০১.০০০০.৫০০.২০.০৫০.২০.৬০ নং স্মারক মোতাবেক একটি অফিসিয়াল পত্রাদেশ ইস্যু করা হয়। ওই পত্রাদেশে শিক্ষকদের বকেয়া বেতন গত ১৪ জুনের মধ্যে আবশ্যিকভাবে প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়। 


কিন্তু বকশীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রসিদা বেগম ও উচ্চমান সহকারী নজরুল ইসলামের গাফলতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ওই পত্রাদেশ মোতাবেক ১৩তম গ্রেড প্রাপ্ত শিক্ষকদের ৩২০ জনের মধ্যে ১৬৩ জনকে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হলেও বাকি ১৫৭ জন শিক্ষক তাদের প্রাপ্ত বকেয়া বেতন প্রাপ্তী থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 এঘটনায় বঞ্চিত শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক একাধিক শিক্ষক জানান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অবহেলার কারণে এই বেতন থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি এবং আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত বকেয়া বেতন শিক্ষা অধিদপ্তরে ফেরত গিয়েছে। 

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রসিদা বেগম জানান, জনবল সঙ্কট ও উচ্চমান সহকারীর কম্পিউটার চালনায় অদক্ষতার কারণে সকল শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তবে পুন:বরাদ্দ পেলে তাদের বকেয়া পরিশোধ করা যাবে।


শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।