রৌমারীতে সাহেব আলীকে গ্রেফতারের দাবী পরিবারের

রৌমারীতে সাহেব আলীকে গ্রেফতারের দাবী পরিবারের



 : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জোড়া খুনের জড়িত স্বামী সাহেব আলীকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন সন্তান হারা বাবা মা ও তার পরিবার। 


জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত মুলহোতা উকিল বাবা জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়াল (২৮), ও আপন দেবর চাঁন মিয়া (৪৩) কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। 


অপর একজন খুন হওয়া হাফসা আকতার হারেনার স্বামী সাহেব আলীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা তুলে নিতে বাদীকে নান্ াভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন সাহেব আলী। 


এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে জোড়া খুনের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।


গত ২১ মে ভোররাতে হাবিব (৫ মাস) ও তার মা হাফসা আকতার হারেনা (২৬) খুন হয়। পরে শিশু ও তার মায়ের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায় পুলিশ। এদিকে জিয়ারুল নামের এক ব্যক্তি ও তার বন্ধু অভিযুক্ত সাহেবে আলীসহ সুকৌশলে থানায় হাজির হয়ে জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযোগ লিখে অভিযোগের কপি পড়ে না শুনিয়ে বাদী হারুন অর রশিদের কাছ থেকে টিপ স্বাক্ষর নেয়। কিন্তু ওই সময়ে জিয়ারুল ও তার বন্ধু সাহেব আলী থানায় উপস্থিত ছিলেন না, তবে এজাহারে তাদের দুইজনের উপস্থিতি উল্লেখ্য করা হয়েছে। 


সন্তান ও স্ত্রী খুন হওয়ার পরেও তাদের লাশ দেখতে যায়নি পাপিষ্ঠ সাহেব আলী এমনকি শ্বশুর পরিবারের লোকজনের সাথেও অদ্যবধি কোন যোগাযোগ রক্ষা করেনি।


খুন হওয়া হাফসা আকতার হারেনার মা কান্না কন্ঠে বলেন, নাতি ও মেয়ের হত্যার সাথে আমার জামাই সাহেব আলীও জড়িত আছে। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।


হাফসার বাবা জানান, আমার নাতি ও মেয়েকে সাহেব আলীসহ তিনজন মিলে হত্যা করেছে। মেয়ের হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের বিচার চাই।


হাফসার ভাবি খাদিজা খাতুন বলেন, সাহেব আলী তার শিশু ও স্ত্রীকে হত্যা করেছে। তাছাড়াও আমার স্বামীকেও একই ভাবে হত্যা করার ভয় দেখাচ্ছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকা সাহেব আলীকে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতারের দাবী করছি। সরকারের কাছে আমি সঠিক বিচার চাই।


এলাকাবাসি জাইদুল ইসলাম জানান, মেয়ের স্বামী সাহেব আলী এখন পর্যন্ত তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে দেখা করেনি। উল্টো তাদেরকেই ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমরাও চাই এর একটা সঠিক বিচার হউক। 


 রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ বলেন, উকিল বাবা জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়াল ও আপন দেবর চাঁন মিয়াকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আরোও কেউ যদি জড়িত থাকে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।


শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।