
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদের পশ্চিম পার্শ্বে জনৈক ওয়াজেদ আলীর পরিত্যক্ত মিলের কূপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের বাবা বলেন, ‘৭ অক্টোবর শুক্রবার জান্নাতুল খাতুনের সঙ্গে খেলা করছিল পাশের বাড়ির শিশু রিফাত(৪)। মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রিফাতকে জিজ্ঞাসা করলে মঞ্জু নামে এক ব্যক্তি তাকে নিয়ে গেছে বলে সে জানায়। তাৎক্ষণিক জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে অপহরণকারী মঞ্জুকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ঘটনায় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে মঞ্জুর উপর মারপিট করতে গেলে পুলিশ এসে অপহরণহরণকারী চক্রের মূল হোতা মঞ্জুকে গ্রেফতার করে। রাতেই এ ব্যাপারে অপহরণ মামলা করা হয়।’
পুলিশ জানায়, মঞ্জু জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতুলকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা পরিষদের পশ্চিম পার্শ্বে ওয়াজেদের স মিলের কূপের মধ্যে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, জান্নাতুলের বাবা একজন মাদক ব্যবসায়ী। অপহরণকারী মঞ্জু একজন মাদক সেবী হিসেবে তাদের বাড়ি যাতায়াত করতেন। ওইদিন মঞ্জু শিশুটিকে সিঙ্গারা খাওয়ানো ও ফুল দেয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে জামতৈল বাজারে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত কয়েক জনের হাতে শিশুটিকে তুলে দেয়।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবুল উদ্দীন সরদার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক.