জামালপুর-১ আসনে ভোটারদের নাড়া দিয়েছে ব্যারিস্টার শাহাদাত বিন জামান

জামালপুর-১ আসনে ভোটারদের নাড়া দিয়েছে ব্যারিস্টার শাহাদাত বিন জামান

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি: জামালপুর-১ আসনে (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) চমক সৃষ্টি করেছেন তরুন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শাহাদাত বিন জামান। 

ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলানো এই তরুন নেতা বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ আসনে এবার বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট মনোনয়ন দাখিল করেছেন। 


২ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা করা হয়। এছাড়া আরেক বিএনপির প্রাথী সাবেক আইজিপি আবদুল কাইয়ুুমের মনোনয়নও বৈধ ঘোষনা করা হয়। 

একই দিন তার বাবা এই আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

মিল্লাতের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় যেমন বিএনপির মধ্যে হতাশা নেমে আসে তেমনি শাহাদাত বিন জামানের মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় আশা জেগেছে বিএনপির তৃণমূলের মধ্যে।

যাচাই-বছাইয়ে শাহাদাত বিন জামানের মনোনয়ন টিকে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। জামালপুর-১ আসনের সর্বত্র আলোচনা এখন তাকে নিয়ে। হতাশ বিএনপি নেতারা আবারো চাঙ্গা হতে শুরু করেছে।

জানা গেছে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বাবা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে দলের প্রার্থী শাহীদা আক্তার রিতাকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। ওই নির্বাচনে নানা চ্যালেঞ্জের মুখেও ৮৭ হাজার ভোট পায় বিএনপি। 


ওই সময়ের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির পক্ষে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলেন শাহাদাত বিন জামান। জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে বাবার মত তিনি মাঠে ময়দানে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধানের শীষের প্রচার করে আলোচনায় চলে আসেন তরুন এই ব্যারিস্টার।

এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাহাদাত বিন জামান নিজেই দলের মনোনয়ন চান এবং দল তাকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেন। তিনি ছাড়াও তার বাবা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও সাবেক আইজিপি আবদুল কাইয়ুমকেও বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়।

কারা অন্তরীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে তিনি বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন বলে জানান।

গত ২ ডিসেম্বর তার বাবা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের মনোনয়ন বাতিল হলে হতাশ হয়ে পড়ে দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার বিএনপি নেতা কর্মীরা। একই দিন তারও মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষনা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আহমেদ কবীর।


বিএনপির নেতা কর্মীদের দাবি বাবার আসনে তাকে মনোনয়ন দিলেও বিএনপি এই আসনে অনায়াসে জিতবেন।

শুধু সাবেক এমপি মিল্লাতের ছেলে হিসেবেই নয় তার শিক্ষাগত যোগ্যতা , তারণ্য ও ২০০৮ সালের পরিচিতি ও দলের জন্য শ্রম তাকে বিজয়ের পথ দেখাবে।

যদি ধানের শীষ শাহাদাত বিন জামানকে দেয়া হয় ২০০১ সালের মত একাদশ নির্বাচনেও এই আসনে ভোট বিপ্লব ঘটবে বলে নেতা কর্মীরা জানান। ইতোমধ্যে শাহাদাত বিন জামান ভোটারদের সাথে মতবিনিময় , যোগাযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন।


ব্যারিস্টার শাহাদাত বিন জামানের রাজনীতিতে আগমন উপলক্ষে ভোটাররা নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। চায়ের দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান , রাজনৈতিক মহলে সর্বত্রই আলোচনা এখন শাহাদাত বিন জামান কে নিয়ে। 

স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরাও মিল্লাতের অবর্তমানে তার ছেলেকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ছেলের পাশে থেকে নির্বাচন করলে শেষ পর্যন্ত মাঠ ঘুরে যেতে পারেন বলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। এ জন্য বিএনপিকে ভুল না করতে অনুরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপির কর্মী সমথর্করা।

⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

, ,

0 comments

Comments Please

themeforestthemeforest

ছবি কথা বলে