জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান কাজের মাধ্যমেই তারা দিতে চান

জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান কাজের মাধ্যমেই তারা দিতে চান
সেবা ডেস্ক: ৩০ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ৮ সংসদ সদস্যের চারজন নতুন মুখ। বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন তারা । তারা হলেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আতাউর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৬  (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনে আহসানুল ইসলাম টিটু এবং টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম। জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান কাজের মাধ্যমেই  দিতে চান তারা। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে গড়তে চান উন্নত নির্বাচনী এলাকা।

টাঙ্গাইল-২  আসনে জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু পান ৯ হাজার ৮৮৯ ভোট। ছোট মনির অতি অল্প সময়ে টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে আলোচনায় চলে এসেছেন। তিনি জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

টাঙ্গাইল-৩ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ আতাউর রহমান খান ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ পান ৯ হাজার ১২২ ভোট। আতাউরের ছেলে আমানুর রহমান খান রানা এখানকার দুবারের সংসদ সদস্য। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদ হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন। আতাউর রহমান খানের বড় ভাই প্রয়াত শামসুর রহমান খান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঘাটাইল থেকে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

টাঙ্গাইল-৬  আসনে ২ লাখ ৮০ হাজার ২২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী পান ৪৪ হাজার ৫৫৯ ভোট। এমপি টিটু একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার বাবা আলহাজ মকবুল হোসেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সাংসদ।

টাঙ্গাইল-৮  আসনে ২ লাখ ৭ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম। তিনি বঙ্গের আলীগড় খ্যাত সরকারি সা’দত কলেজের দুইবারের ভিপি ছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমের মেয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কুঁড়ি সিদ্দিকী পান ৭১ হাজার ১৪৪ ভোট।

এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, মানুষ আগুন-সন্ত্রাস ও দুর্নীতিগ্রস্ত বিএনপিকে বর্জন করেছে। তাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও শান্তি বজায় রাখতে জনগণ নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের বিজয়ী করেছেন। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাব। মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান কাজের মাধ্যমে দেব। সবাইকে সঙ্গে নিয় পুরো টাঙ্গাইলের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন করব।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

,

0 comments

Comments Please