জামালপু‌রের দেওয়ানগ‌ঞ্জে নৌকাডুবি : নিখোঁজ ৮

Boating at Dewanganj in Jamalpur: 1 missing
সেবা ডেস্ক: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় যমুনা নদীতে অন্তত ২৮ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ি ইউনিয়নের ফুটানি বাজার ঘাট থেকে যমুনা নদীর অন্তত চার কিলোমিটার দূরে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জানিয়েছেন, যাত্রীদের সবাই ভিজিএফ চাল নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে জামালপুর ও দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ও উদ্ধারকর্মী এবং স্থানীয়রা নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ১২টা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়ে ১৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। নৌকার বাকি যাত্রীরা নিখোঁজ রয়েছেন। 

চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের যমুনা নদীর ফুটানি বাজার ঘাট এলাকার একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফুটানি বাজার ঘাট থেকে ২৮ জন যাত্রী নিয়ে একই ইউনিয়নের যমুনার পশ্চিম পাড়ের টিনেরচর গ্রামে যাচ্ছিল। যাত্রীরা সবাই ওই গ্রামের বাসিন্দা। তারা সবাই আজ বুধবার বিকেলে চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভিজিএফ চাল উত্তোলন করে একই নৌকায় বাড়িতে ফিরছিলেন। ফুটানি বাজার ঘাট থেকে যুমনা নদী পথে প্রায় সাত কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে টিনেরচর গ্রামে যেতে হয়। নদীর মাঝামাঝি ভেড়াখাওয়া মাথা নামক স্থানে নৌকাটি আকস্মিক ডুবে যায়। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম কালের কণ্ঠকে জানান, ওই নৌকার মাঝি মো. মনোয়ার হোসেনসহ অন্তত ২৮ জন যাত্রী ছিল।

মাঝ নদীতে নৌকাডুবির বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা বেশ কয়েকটি নৌকা নিয়ে সেখানে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। পরে তাদের সাথে যুক্ত হয় জামালপুর ও দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা।

তারা ১৯ জন পুরুষ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। নৌকার মাঝি মো. মনোয়ার হোসেন সাঁতার কেটে নদীর পূর্বপাড়ে উঠতে সক্ষম হন। অন্তত আরো সাত-আট জন যাত্রী পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নারী ও শিশুও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যাত্রীদের প্রায় সবাই বুধবার চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভিজিএফ বরাদ্দের চাল তুলে বাড়ি ফিরছিলেন। 
উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া জামালপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মো. নুরুদ্দিন অলি রাত ১২টার দিকে কালের কণ্ঠকে বলেন, এ পর্যন্ত ১৯ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত আরো সাত-আট জন যাত্রী পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনাস্থলে নদীর গভীরতা ও পানির ব্যাপক স্রোত রয়েছে। রাতের বেলা সেখানে কাজ করা সম্ভব নয় বিধায় আমরা ট্রলার নিয়ে ফুটানি বাজার ঘাটে ফিরছি। ভোরে আমাদের ডুবুরি ও উদ্ধার কর্মীরা আবার নিখোঁজ যাত্রীদের অনুসন্ধানে কাজ শুরু করবে।

 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please