রৌমারীতে শীতকে উপেক্ষা করে ধান চাষে ব্যস্ত কৃষক

রৌমারীতে শীতকে উপেক্ষা করে ধান চাষে ব্যস্ত কৃষক


শফিকুল ইসলাম: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় মাঘ মাসের শুরুতেই ঘনকুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে ইরি-বোরো ধান চাষে ব্যস্ত কৃষক। পেটের খাবার প্রস্তুত করতে শীতের সকালে কৃষকরা ধান চাষের জন্য মাঠে নেমেছে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে কৃষকরা কেউ চারা তুলছেন, কেউ জমি তৈরির কাজ করছেন, আবার অন্যরা পানি সেচের জন্য শ্যালো মেশিন চালু করছেন এবং চারা রোপন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বুধবার (৩ ফেব্রæয়ারী) সকালের দিকে সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র দেখা যায়।

রৌমারী উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন জাতের ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ১০ হাজার ১’শ ৫০ হেক্টর। এ খন পর্যন্ত বোরো ধান রোপন করেছে  ৩ হাজার ৪শ‘ ৩০ হেক্টর। গত মৌসুমে অর্জিত হয়েছিল ৯ হাজার ৮ শ‘ ৫০ হেক্টর। 
উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চরের গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, আমন ধান কাটার পর জমিগুলো ফাঁকা পড়ে আছে তাই দেড়ি না করে আগাম ধানের চারা লাগাইতেছি। দেড়িতে লাগাইলে জৈষ্ঠ্য মাসে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

রৌমারী সদর ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের সৈয়দ জামাল বলেন, গত কয়েক দিন আগে আমন ধান কেটেছি। আগাম বন্যার পানির ভয়ে কঠিন শীতের মধ্যেও ধান চাষ শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত সার,কিটনাশক ও ডিজেলের সমস্যায় পড়তে হয়নি। তবে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ আমাদের এলাকায় পরামর্শ দিতে আসেনি।   

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, বিভিন্ন জাতের ইরি-বোরা ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ১০ হাজার ১’শ ৫০ হেক্টর।  গত মৌসুমে অর্জন হয়েছে ৩ হাজার ৪২০ হেক্টর। এবার শীত মৌসুমে শৈত্য প্রবাহ, ঘনকুয়াশা ও কনকনে শীতের মধ্যেও বীজ তলার কোন ক্ষতি হয়নি। শীতকে উপেক্ষা করে কৃষকরা আপন গতিতে মাঘের শুরুতেই চারা রোপন শুরু করেছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধেই ইরি বোরো চারা রোপনের লক্ষ মাত্রা শেষ করে ফেলবেন বলে তিনি আশাবাদি। 


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।

Dara Computer Laptops