শফিকুল ইসলাম: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী, ওএমএস ডিলার নিয়োগ দেওয়ার নামে ঘুষের টাকা ফেরত না পেয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু হাসনাত মো: মিজানুর রহমান ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার আব্দুর রাজ্জাক এর হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
![]() |
| রৌমারীতে ঘুষের টাকা লেনদেন নিয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও ডিলারের হাতাহাতি |
এঘটনায় মুহুর্তের মধ্যে টক অব দা টাউনে পরিণত হয়েছে রৌমারী জুড়ে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) সন্ধার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে এঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যেক্ষদর্শিরা জানান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু হাসনাত মো. মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যবান্ধব ডিলার, ওএমএস টিসিবির চাউল আব্দুর রাজ্জাককে না দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে কথা বলতে যান ডিলার। রাজ্জাক ওএমএস এর চাউল না পাওয়ায় খাদ্য নিয়ন্ত্রককের কাছে দেয়া ঘুষের টাকা ফেরত চান। এনিয়ে খাদ্যনিয়ন্ত্রক ঘুষের টাকার বিষয়টি অস্বীকার করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডতার এক পর্যায়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। হাল্লাচিল্লা শোনে আশপাশের লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং তৎক্ষনাত উপস্থিত লোকজন বিষয়টি সমঝোতাও করে দেন। প্রত্যক্ষদর্শি পারভীন আক্তারসহ অনেকেই বলেন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের ভেতরে মানুষের মারামাারি ও উচ্চ শব্দের কথা শোনা যায়।
এসময় আমরা সেখানে গিয়ে দেখি খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তির সাথে কিল-ঘুষি মারছে। পরে তৎক্ষনাত তাদের মধ্যে শান্তনা দিয়ে সমঝোতা করে দেয়া হয়। তবে শোনা গেছে তাদের উভয়ের মধ্যে অর্থ লেনদেন নিয়ে এমন ঘটনা ঘটে।
ডিলার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, টিসিবির সুবিধাভোগীদের বিতরণের জন্য ওএমএস এর চাউল ২টি ডিলারের মাঝে ১ মাস পর পর উল্টো পাল্টা করে দেয়ার কথা। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান তা না করে রহস্যজনক ভাবে আমাকে না দিয়ে প্রতিমাসে একজনকেই দিয়ে যাচ্ছেন। আমাকে দেওয়া যাবে না বলে জানান। পরে তার কাছে আমার পাওনা টাকা চাইলে সে অস্বীকার করেন। এবং তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে ঘুষি মারেন। পরে উভয়ের মধ্যে কিল-ঘুষির ঘটনা ঘটে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু হাসনাত মো: মিজানুর রহমান বলেন, আমার সাথে রাজ্জাকের অর্থনৈতিক লেনদেন নেই। তবে ওএমএস ডিলারদের একমাসের চাউল উল্টো পাল্টা করে দেয়ার কথা। এক মাসের চাউল একজন ডিলারকে দেয়া হয়েছে। আগামী মাসের চাউল রাজ্জাককে দেয়া হবে। কোন কিছু না বুঝে এমন নেক্কার জনক ঘটনাটি ঘটেছে।
রৌমারী থানা অফিসার ইনচার্জ কাওছার আলীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি জেনেছি। তবে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিন বলেন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক যদি বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ করে, তা হলে থানা ব্যবস্থা নেবে। এখানে আমার কিছু করার নেই।
সূত্র: /সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশ্যে আপোষহীন
রৌমারী- নিয়ে আরও পড়ুন

ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গিকার জামায়াত প্রার্থীর

রৌমারীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রৌমারীতে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রৌমারীতে বাদাম চাষে বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

জিঞ্জিরাম নদীর উপর সেতু না থাকায় ৭ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।