SebaBanner

হোম
মাছ ও মাংসের চাহিদা মেটাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতায় বাংলাদেশ

মাছ ও মাংসের চাহিদা মেটাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতায় বাংলাদেশ

সেবা ডেস্ক: মাছে ভাতে বাঙালি। বাংলাদেশের নদী-নালা খালবিলে রয়েছে বিভিন্ন জাতের প্রচুর মাছের সমাহার। এছাড়াও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে মাছের চাষ করা হচ্ছে সারাদেশে। আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মাছ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে দেশের মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়।

২০১৬ থেকে ২০১৭ অর্থবছরে মাছের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বিপরীতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৪১ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। এ সময়ে দেশে মাংসের চাহিদা ৭১ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টনের বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন। সহজেই অনুমান করা যায় যে মাছ ও মাংস উৎপাদনে বিগত অর্থবছরগুলোতেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের এ যাত্রায় মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কিছু পদক্ষেপ উল্লেখ করার মত। এগুলো হলো- জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের আবাসস্থল উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ, পরিবেশ বান্ধব চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সহনশীল আহরণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ মাছ সরবরাহ। সাফল্যের ফলস্বরূপ খাদ্য নির্দেশিকায় যেখানে একজন মানুষের দৈনিক মাছের চাহিদা ৬০ গ্রাম থাকার কথা থাকলেও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন অনুযায়ী জনপ্রতি দিনে মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে দেশের মৎস শিল্প।

অপরদিকে, মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গরু মোটাতাজাকরণ প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের একটি নিয়মিত কার্যক্রম। প্রতি বছর কোরবানি উপলক্ষে ইউনিয়ন পর্যায়ে খামারীদের তালিকা প্রণয়ন করে মোটাতাজাকরণ কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হয়, যাতে নিরাপদ মাংস উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এছাড়া আমেরিকা থেকে ব্রাহামা জাতের গরু আমদানি করে মাত্র ২ বছরে ৮০০ থেকে ১০০০ কেজি ওজনের সংকর জাতের গরু উৎপাদন করা হচ্ছে সরকারি তত্ত্বাবধানে।

তাই বলা যায়, দেশের মৎস ও মাংসের চাহিদা মেটাতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।



, , ,

Home-About Us-Contact Us-Sitemap-Privacy Policy-Google Search