দেওয়ানগঞ্জের তারাটিয়ায় আদালতের নির্দেশ উপক্ষো করে পাকা স্থাপনা!

দেওয়ানগঞ্জের তারাটিয়ায় আদালতের নির্দেশ উপক্ষো করে পাকা স্থাপনা!
রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: জামালপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নির্দেশ উপক্ষো করে রাতের অন্ধকারে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুরুজ্জামান ও জুয়েল রানা নামের দুই ব্যক্তি তারাটিয়া বাজারে অন্যের জায়গা পেছিয়ে অবৈধ ভাবে ওই পাকাঘর বা স্থাপনা নির্মাণ করছে। সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ওই ভূমি বা জমির কিছু অংশ নিজের বলে আদালতে নালিশী অভিযোগ করলে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট গত ১৯ অক্টোবর ওই জমিতে ১৪৪ ধরা জারি করে। যাতে নালিশী নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই ভূমিতে কোনো পক্ষই পাকা স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া বাজারের ঘটনা এটি।

বাদি সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, সুরুজ্জামান ও জুয়েল রানা নামের দুই ব্যক্তি যে স্থানে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছে সেখানে কিছু অংশ আমাদের রেকর্ট ও দখলীয় জমি। জোরপূর্বক সন্ত্রাসী কায়দায় তারা জবরদখলের চেষ্টা করছে। আমরা বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের জীবন নাশের হুমকি দেয়। পরে আদালতে অভিযোগ করার পর বিজ্ঞ আদালত ওই ভূমিতে ১৪৪ ধারা আইন জারি করে। একই সঙ্গে দেয়ানগঞ্জ উপজেলা সহকারি কর্মকর্তাকে (ভূমি) তদন্ত করে আগামি ১৯ নভেম্বর এর মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং ওই ভূমিতে কোনো পক্ষই যেন স্থাপনা নিমার্ণ করতে না পারে সে নির্দেশ দেয়া হয়।

গতকাল বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রাখা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাতের অন্ধকার নির্মাণের কাজ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত সরুজ্জামান ও জুয়েল রানা বলেন, ‘বিষযটি স্থানীয় ভাবে মিমাংশার জন্য বসা হয়েছিল কিন্তু বাদি পক্ষের এক গুয়েমীর জন্য ফয়সালা হয়নি। আদালতের নির্দেশ পেয়ে আমরা নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছি।’

এ ব্যাপারে দেওয়ানগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আদালতের নির্দেশ নামাটি তারাটিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জকে দেয়া হয়েছে। বলে দেয়া হয়েছে ওই জমিতে কোনো পক্ষই যেন পাকা স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে। তারাটিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা আদালতের নির্দেশ পেয়ে ওই স্থানে ১৪৪ ধারা আইন জারি করেছি। রাতের অন্ধকারে নির্মাণ কাজের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’


⇘সংবাদদাতা: রাজীবপুর

,

0 মন্তব্য(গুলি)

Comments Please