রৌমারীতে প্রতীমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংঘর্ষ

রৌমারীতে প্রতীমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংঘর্ষ
শফিকুল ইসলাম, রৌমারী প্রতিনিধি: প্রতীমা বিসর্জনের স্থানকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ে দু’দফা সংঘর্ষে উভয় পক্ষে ৮জন আহত হয়েছেন। গত ৮অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধার দিকে রৌমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, রৌমারী বাজার গ্রামের রমেশ চন্দ্র সাহার ছেলে শ্রী চয়ন সাহা (১৯), তপন সাহার ছেলে তপু সাহা (১৮), রুহিপালের ছেলে জগদীস চন্দ্র কর্মকার (২৬), জগদীসের স্ত্রী শ্রীমতি সঞ্চিতা রানী, কলেজপাড়া গ্রামের গনেশ পালের ছেলে সুব্রতপাল (২০) এবং অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যান।

প্রত্যেক্ষদর্শিরা জানান, পূজা উৎযাপন কমিটির সিদ্ধান্তে স্বস্ব প্রতীমাগুলোর স্থান আগেই নিধারন করা হয়েছিল। সেই মোতাবেক বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রৌমারী কলেজপাড়া গ্রামের প্রতীমাটি তাদের সুবিধা মতো পুকুরের কিনারায় জায়গা দখল করে আনন্দ উল্লাস করতে থাকে। এসময় রৌমারী বাজার কালিমন্দিরের প্রতিমাটি একই স্থানে নিয়ে গেলে জায়গাকে কেন্দ্র করে উভয়ে বাকবিতন্ডতার এক পর্য়ায়ে সংষর্ষের সৃষ্টি হলে নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা রৌমারী থানা পুলিশ, গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। পরে সবকটি প্রতীমা পূর্ব ঘোষিত নিদ্ধারিত সময়ে রৌমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।

সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজপাড়া পুজা উৎযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক ঠাকুর মিন্টু চক্রবতী নেতৃত্বে সুশিলপাল ও তার ছেলে উত্তমপাল, বাসুপাল, বাধনপাল, কৃঞ্চপাল, চঞ্চলকর্মকারসহ কিছু উশৃঙ্খল ছেলে নিয়ে রৌমারী বাজার কালিমন্দিরের সামনে অবস্থান নেয়। পরে কালিমন্দিরে রৌমারী বাজার পূজা উৎযাপন কমিটির আলোচনায় অংশ গ্রহণকারি লোকজনের উপর দ্বিতীয়বার হামলা চালায়। এঘটনার সংবাদ পেয়ে রৌমারী থানার পুলিশ ও  রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহর উপস্থিতিতে ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়া লোকজনকে নিয়ে তাৎক্ষনিক বিষয়টি মিমাংসা করে দেন।

উপজেলার পুজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দঃখজনক। কিছু উশৃঙ্খল ছেলের কারনে ইচ্ছাকৃত ভাবে এটা ঘটানো হয়েছে।

রৌমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে দ্রæত পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। পরে বিষয়টি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উভয় পক্ষকে ডেকে মিমাংসা করে দেন।


 -সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0 comments

Comments Please