বুকের শিশুকে হত্যা পর টয়লেটে ফেললো সুন্দরগঞ্জের এক গর্ভধারনী মা

বুকের শিশুকে হত্যা পর টয়লেটে ফেললো সুন্দরগঞ্জের এক গর্ভধারনী মা


আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা: দেশের উত্তরের জনপদ গাইবান্ধা জেলা কত না অমানুবিক ঘটনা প্রতনিয়িত ঘটে । খবরের রাজধানী বলে মনে করেন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীরা। সেকারণেই আজ গণমাধ্যমকর্মীর সৃষ্টির উর্বর ভূমি গাইবান্ধা জেলা। নিত্য নতুন ঘটনা যেমন ঘটে তেমনি ঘটে নতুন নতুন গণমাধ্যমকর্মীর আর্বিভাব তো রয়েছেই।দেশের বিবেকের দোকান বসেছে সেই দোকানের খরিদ্রার এখন গণমাধ্যমের অনেক কর্মীগণ। তাই অনেকে মনে করেন চলছে নিত্য নতুন নানা রংয়ের খবর।  

এবার জেলার আরো একটি আজব খবর মিলেছে নিরঅপরাধ তিন মাস বয়সি নিজের শিশু সন্তান কে হত্যারপর নিজেদের ব্যবহৃত টয়লেটে ফেলে দিলো গর্ভধারিনী মা। যে মা ১০ মাস দশ দিন কষ্ট করে পেটে আগলে রাখলো সেই মা সেই সন্তানকে দুনিয়া এনে নিঃকৃষ্টভাবে হত্যা করলো লাশ ফেললো পায়খানার ভাগারে। ৩১ জানুয়ারী রবিবার গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জের ধুমাইটারীতে নিখোঁজের একদিন পর নিজ বাড়ির টয়লেট থেকে সাড়ে তিন মাসের এ শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করার পর এমন খবর পাওয়া যায়। এরপর সন্দেহতিত ভাবে হত্যার অভিযোগে শিশুটির মা তানজিলা বেগমকে আটক করে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সুন্দরগঞ্জে মাত্র সাড়ে তিন মাস বয়সের শিশু নুর হাওয়াকে হত্যা করেছে আপন গর্ভধারিনী মা তানজিলা বেগম। পরে নিজ বাড়ির টয়লেট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার বিকালে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাধীন উত্তর ধুমাইটারী গ্রামে এ নৃশংস ঘটনার চিত্র দেখা মিলে।  নিহত শিশু নুর হাওয়া পৌরসভাধীন  উত্তর ধুমাইটারী গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় শিশুটির মা তানজিলা বেগমকে আটক করে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ। স্থানীয়রা এ ঘটনার চিত্র দেখে বা জেনে বলেন,এতোটা অমানুবিক সমাজ আমাদের ধবংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে । তারা আরো বলেন, আজ এটা প্রমানিত হলো মায়ের বুকে সন্তান অনিরাপদ মায়ের হাতে। এটাকে শুধু পারিবারিক সমস্যায় নয় এরপিছনে অন্য কোন কারণ রয়েছে।  যা তদন্ত করে দেখে হত্যাকারীসহ জড়িতদের শাস্তির দাবী জানান।  

শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল জামান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এরআগে'৩০ জানুয়ারী শিশুটি হারিয়ে যায় মর্মে থানায় একটি অভিযোগ দেন শিশুটির বাবা। একই সময়ে তার স্ত্রী অসুস্থ হলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করেন। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ির টয়লেট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহত শিশুর মাকে এই হত্যাকান্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি শিশু সন্তান কে হত্যার দায় স্বীকার করেন'। এ বিষয়ে আরো তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।  

গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী গণসহ জেলার  অন্যান্য সচেতন মহল এঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে  সেই সাথে এই শিশুর হত্যাকারীর  সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান যাতে আর কেউই এইরকম অপরাধ করতে না পারে। এরকম অমানুবিক ঘটনা আর কোথাও যেন না ঘটে। মায়ের বুকে সন্তান অনিরাপদ সে কথাটা আজ সত্যিই হলো।

শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।

Dara Computer Laptops