কুড়িগ্রামে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যানের সাফল্যপূর্ণ পদক্ষেপ

কুড়িগ্রামে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যানের সাফল্যপূর্ণ পদক্ষেপ



ডা:জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ কর্মকারের সাফল্যপূর্ণ পদক্ষেপ প্রশংসা অর্জন করেছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক কার্যক্রমে সেবা গ্রহিতারা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন। এই ইউনিয়নে প্রতারণা, স্বজনপ্রীতি, উৎকোচ বাণিজ্য ও জনগণের হয়রানী এখন শূন্যের কোটায় এসে নেমেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজা জমিদারগণের ঐতিহ্যবহনকারী কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতীকের বিজয়ী চেয়ারম্যান শ্রী রবিন্দ্রনাথ কর্মকার নানা সাফল্যময় কর্মকান্ড গ্রহণ করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার প্রায় ৫ বছর সময়কালে চেয়ারম্যান তার পরিষদের সকল সেবা জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পেরেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তার সকল কর্মকান্ড সাফল্য মন্ডিত হয়েছে। টি.আর, কাবিখা-কাবিটা, এলজিএসপি, এডিপি, ননওয়েজ এর বরাদ্দ যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হয়। প্রতিবছরের ভিজিডি, ভিজিএফ ও অতিদরিদ্রের কর্মসৃজনের কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা নিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক রবিন্দ্রনাথ কর্মকার। চলতি বছরের ঈদুল ফিতরের আগে ডিজিটালাইজ পদ্ধতিতে ভিজিএফ ৫ হাজার ২’শ ৯৪ জন সুফলভোগীর মাঝে ৪’শ ৫০ টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে। ভিজিএফ বিতরণকালে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কোন অনিয়ম করার সুযোগ দেয়া হয়নি। অনলাইনে আবেদনের ভিত্তিতে ৪’শ ৬৪ জন ভিজিডি সুফলভোগীর তালিকা অন্তর্ভূক্ত হয়। এর মধ্যে একাধিক সুফলভোগী হিসেবে ৫৮ জনের সুবিধা বাতিল চেয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৫ মাসের চাল বিতরণ করা হয়েছে ভিজিডি সুফলভোগী ৪’শ ০৬টি পরিবারের মাঝে। অতিদরিদ্রের কর্মসৃজনে ৫’শ ২৩ জন শ্রমিকের মাধ্যমে গ্রামীণ রাস্তাগুলোর সংস্কার কাজ সুন্দরভাবে করা হয়েছে। কর্মসৃজনের কাজগুলো ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তদারকিতে রাখা হয়েছিল। শ্রমিকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করায় শ্রমিকের মজুরী হতে টাকা হাতিয়ে নেয়া কতিপয় ইউনিয়নের সদস্যরা ব্যর্থ হয়েছেন। চলতি বছরে এলজিএসপির কাজ শতভাগ স্বচ্ছতার মাধ্যমে করা হচ্ছে। কাজ শুরু, কাজ চলমান ও কাজ সমাপ্তের আলোকচিত্র সংগ্রহের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে বলে এই ইউনিয়নের জনগণ আনন্দি। এছাড়া ইউনিয়নে ২’শ ৯৮ জন বিধবা, ৫’শ ১৬ জন বয়স্ক ও ০৫ জন প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় এসেছেন। ভাতা কার্ড হওয়ার সময় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে প্রতারণা, স্বজনপ্রীতি, উৎকোচ বাণিজ্য ও জনগণ হয়রানী থেকে রেহাই পেয়েছেন। ১নং ওয়ার্ডের জনগণ জয়নাল আবেদীন, ২নং ওয়ার্ডের আব্দুল খালেক, ৩নং ওয়ার্ডের বেলা রাণী বলেন- চেয়ারম্যান মহোদয়ের মহতিপূর্ণ উদ্যোগে আমরা সুফলভোগীরা শতভাগ সুবিধা পাচ্ছি। ৫ বছরে ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের শতভাগ স্বচ্ছতা নিয়ে এসেছেন। জনগণ যে কোন সুবিধা কোন প্রকার হয়রানী ছাড়াই সরাসরি পেয়ে থাকেন। ৮নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন সদস্য আব্দুস ছাত্তার বাবু বলেন- ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সকল উদ্যোগ জনগণের সেবা করার উদ্দেশ্যে। চেয়ারম্যানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পদক্ষেপের কারণে আমরা ইউপি সদস্যরাও জনগণের নিকট শতভাগ স্বচ্ছ হতে পেরেছি। কয়েকজন ইউপি সদস্য জনগণের নিকট অবৈধ সুবিধা নিতে না পেরে হতাশায় ভুগছেন।

ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শ্রী রবিন্দ্রনাথ কর্মকার বলেন- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমি ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করে যাচ্ছি। আমার ইউনিয়নে জনগণ কোন প্রকার হয়রানী ছাড়াই ঘরে বসেই সকল সুবিধা ভোগ করতে পাচ্ছে। যে সকল ইউপি সদস্যরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় এখনও আস্তে পারেনি, তাদের প্রতি আমার আহŸান তারা যেন স্বচ্ছতার ভিত্তিতে জনগণের সেবা করার মানসিকতা পোষণ করেন।
  

শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0 comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।